উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: রক্তচাপ হেরফের হওয়ার সমস্যা এখন সব বয়সিদের মধ্যেই দেখা যায়। রাতে কম ঘুম, অস্বাস্থ্যকর খাওয়াদাওয়াই এসবের মূল কারণ। তবে যাদের উচ্চ রক্তচাপের (Excessive Blood Strain) সমস্যা রয়েছে, তাঁদের সব সময়েই সঙ্গে ওষুধ রাখা উচিত। কিন্তু কোনও কারণে যদি ওষুধ রাখতে ভুলে যান, আর সেই সময়ই রক্তচাপ বেড়ে গেলে কী করবেন? তা জেনে নিন।
ঠান্ডা জলের ঝাপটা
মুখে, ঘাড়ে ঠান্ডা জল দিলে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রিত হয়। এতে রক্তজালিকাগুলির মধ্যে রক্ত জমাট বাঁধার আশঙ্কা কমে। শরীরে অস্বস্তি শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই যদি মাথা, ঘাড়, মুখ ও পায়ের পাতা ঠান্ডা জলে ধোয়া যায়, তাহলে বিপদ অনেক কমে যাবে।
ডিপ ব্রিদিং
রক্তচাপ খুব তাড়াতাড়ি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারে শ্বাসের ব্যায়াম। প্রথমে শান্ত হয়ে বসে গভীরভাবে শ্বাস নিতে হবে। কিছুক্ষণ শ্বাস ধরে রেখে তা ধীরে ধীরে ছাড়তে হবে। গোটা প্রক্রিয়াটি করতে হবে ১০-২০ সেকেন্ড ধরে। পরপর ৩ বার করলেই রক্তচাপ বশে থাকবে।
তুলসী পাতা ও রসুন
রসুনে থাকে অ্যালিসিন নামে একটি যৌগ, যা রক্ত চলাচল স্বাভাবিক করে এবং রক্ত জমাট বাঁধতে দেয় না। তুলসী পাতার অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট শরীরের প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়। তাছাড়া তুলসীর প্রদাহনাশক গুণও রয়েছে। কয়েকটি তুলসী পাতা চিবিয়ে খেলে বা জলে ভিজিয়ে খেলে শরীরের প্রদাহ খুব তাড়াতাড়ি কমে যাবে।
লেবুর জল
লেবুতে প্রচুর পরিমাণে থাকে পটাশিয়াম। চিনি ও নুন না মিশিয়ে যদি লেবুর জল খান, তাহলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকবে। এক গ্লাস জলে অর্ধেকটা পাতিলেবুর রস মিশিয়ে খেতে পারলেই শরীরে জল ও খনিজের ঘাটতি অনেকটা মিটে যাবে।
ধীরে ধীরে জল খান
এক গ্লাস জল ধীরে ধীরে চুমুক দিয়ে খেলেও উপকার হবে। বুক ধড়ফড়, দরদর করে ঘাম হতে থাকলে, সেই সঙ্গে মাথা ঘোরার লক্ষণ দেখা দিলে, স্থির হয়ে বসে আগে জল খান। এতে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক হবে।
