Excellent news for vacationers! Lachen and Gurudongmar lakes in North Sikkim are reopening

Excellent news for vacationers! Lachen and Gurudongmar lakes in North Sikkim are reopening

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


ভরা বসন্তে যারা বরফের অমর্ত্য ভূমিতে ঘুরে বেড়াতে পছন্দ করেন তাদের জন্য সুখবর! প্রায় এক বছর বন্ধ থাকার পর সোমবার খুলছে উত্তর সিকিমের লাচেন এবং গুরুদোংমার হ্রদের রাস্তা। রবিবার সিকিম প্রশাসনের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে ওই খবর জানানো হয়েছে। ইতিমধ্যে ভ্রমণের জন্য পার্মিট ইস্যু শুরু হয়েছে। পর্যটক ও ট্রাভেল এজেন্সিগুলি সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুসারে মঙ্গন জেলাশাসকের মাধ্যমে অথবা অনুমোদিত ট্রাভেল অপারেটরদের মাধ্যমে পারমিটের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের জুন মাসে ভারী বৃষ্টিপাত জেরে হড়পাবান ও ভূমিধসের জেরে উত্তর সিকিমের রাস্তা ও সেতুগুলির ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ওই কারণে লাচেন ও গুরুদংমার হ্রদে যাওয়ার রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। ১৭ হাজার ফুট উচ্চতায় ভারতের সর্বোচ্চ হ্রদগুলির মধ্যে অন্যতম গুরুদংমারের সৌন্দর্য উপভোগ করতে না পেরে এতদিন পর্যটকরা বেশ হতাশ ছিলেন। অবশেষে খুলে গেলো স্বপ্নের গুরুদংমার হ্রদ! 

আরও পড়ুন:

উত্তর সিকিমের জেলাশাসক অনন্ত জৈন জানিয়েছেন, চুংথাং থেকে লাচেন যাতায়াতের রাস্তা আগেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। কারণ, সেখানে একটি সেতু নির্মাণাধীন ছিল। গত সপ্তাহে চুংথাং-লাচেন রোডে তারাম চু নদীর উপরে ১২ টন ভার বহন ক্ষমতা সম্পন্ন চারশো ফুট দীর্ঘ বেইলি সাসপেনশন সেতুটি উদ্বোধন হয়েছে। সেতু দিয়ে যান চলাচল শুরু হয়েছে। তবে সেতু দিয়ে যান চলাচলে কিছু শর্ত রয়েছে। জেলাশাসক জানান, সেতু দিয়ে একসঙ্গে দু’তিনটি গাড়ি যাতায়াত করতে পারবে না। একবারে একটি গাড়ি সেতু পার হবে। পর্যটকরা মঙ্গন জেলাশাসকের মাধ্যমে অথবা অনুমোদিত ট্রাভেল অপারেটরদের মাধ্যমে ভ্রমণ পারমিট জোগাড় করে যাতায়াত করতে পারবেন।

উত্তর সিকিমের জেলাশাসক অনন্ত জৈন জানিয়েছেন, চুংথাং থেকে লাচেন যাতায়াতের রাস্তা আগেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। কারণ, সেখানে একটি সেতু নির্মাণাধীন ছিল। গত সপ্তাহে চুংথাং-লাচেন রোডে তারাম চু নদীর উপরে ১২ টন ভার বহন ক্ষমতা সম্পন্ন চারশো ফুট দীর্ঘ বেইলি সাসপেনশন সেতুটি উদ্বোধন হয়েছে। সেতু দিয়ে যান চলাচল শুরু হয়েছে। তবে সেতু দিয়ে যান চলাচলে কিছু শর্ত রয়েছে।

উত্তর সিকিমের মঙ্গন জেলায় ১৭ হাজার ৮০০ ফুট উঁচুতে অবস্থিত গুরুদংমার হ্রদ ভারত ও বিশ্বের অন্যতম সর্বোচ্চ ও সুন্দর হ্রদ। ভারত-চিন সীমান্তের কাছে ওই হ্রদ বৌদ্ধ, হিন্দু ও শিখদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র স্থান হিসেবে পরিচিত। এখানকার তুষারাবৃত হিমালয় এবং স্বচ্ছ নীল জলরাশি পর্যটকদের মুগ্ধ করে। লাচেন থেকে গুরুদংমার হ্রদের দূরত্ব প্রায় ৭০ কিলোমিটার। তিব্বতীয় বৌদ্ধধর্মের প্রতিষ্ঠাতা গুরু পদ্মসম্ভব (গুরু রিনপোচে) এবং শিখ ধর্মের গুরু নানক দেবজি এই হ্রদ পরিদর্শন করেছিলেন বলে বিশ্বাস।। তীব্র শীতেও এই হ্রদের একটি অংশ বরফে জমে না। এপ্রিল থেকে জুন এবং অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর মাস ওই হ্রদ দেখার সেরা সময়। উচ্চতার জন্য এখানে অক্সিজেনের মাত্রা কম থাকে,।তাই শ্বাসকষ্ট হতে পারে। তাই প্রয়োজনে অক্সিজেন সিলিন্ডার সঙ্গে রাখা উচিত।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *