পরিচ্ছন্ন অন্দরমহলেই লুকিয়ে থাকে সুস্বাস্থ্যের চাবিকাঠি। ঘরের বাহ্যিক সৌন্দর্য রক্ষার পাশাপাশি একইসঙ্গে নজর রাখতে হবে ঘরের বিভিন্ন সামগ্রীর পরিচ্ছন্নতার দিকেও। তাই স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখেই সময়মতো বদলে ফেলুন আপনার বাড়ির নিত্য প্রয়োজনীয় এই জিনিসগুলি।
আরও পড়ুন:
প্লাস্টিকের আইস কিউব ট্রে, মনে রাখবেন সময়মতো এই ট্রে কিন্তু বদলে ফেলা অত্যন্ত জরুরি। ভাবছেন নিশ্চয়ই কতদিন পর তা বদলাবেন? জেনে রাখুন প্রতি দু’বছর অন্তর আপনার ফ্রিজের আইস কিউব ট্রে বদলে ফেলতে হবে। কারণ দিনের পর দিন ব্যবহারের পর এতে প্রচুর ব্যাকটেরিয়া জমে। যা খালি চোখে দেখা সম্ভব নয়। এমনকী দীর্ঘদিন ব্যবহারের পর তা পরিষ্কার করেও খুব লাভ হয় না। তাই নির্দিষ্ট সময় মতো পালটে ফেলুন আপনার বাড়ির আইস কিউব ট্রে।
আরও পড়ুন:
একইভাবে প্রতি দুবছর অন্তর আপনাকে বদলে ফেলতে হবে আপনার ব্যবহার করা তোয়ালেও। প্রতিদিন স্নানের পর পরিষ্কার করার পরও তাতে জীবাণু থেকেই যায় যা পুরোপুরি যায় না। তাই বছরের পর বছর একই তোয়ালে ব্যবহার করলে তা যে খুব একটা স্বাস্থ্যকর হবে না তা বলাই বাহুল্য।


সময়মতো বা সপ্তাহে নির্দিষ্ট দিনে বাড়ির বিছানার চাদর বদলালেও তা বছরের পর বছর ব্যবহার করা যায় না। কারণ দিনের নির্দিষ্ট একটা সময় যেহেতু আমরা বিছানায় কাটাই তাই আমাদের শরীরের ঘাম, মৃত চামড়া ইত্যাদি বিছানার সঙ্গে মেশে। তাই তা কবে একেবারে ব্যবহারের অযোগ্য হবে তাঁর অপেক্ষায় না থেকে ২-৩ বছর পর পর বাতিল করে ফেলা জরুরি।


বাজারের ব্যাগও কিন্তু রয়েছে এই তালিকায়। আপনার নিত্য ব্যবহার্য বাজারের ব্যাগে সবজি, মাছ, মাংস আনা নেওয়ার ফলে তা দিনে দিনে অপরিচ্ছন্ন ও অস্বাস্থ্যকর হয়ে যায়। তাই দু’বছর অন্তর তা পালটানোও অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
অবাক হওয়ার মতো হলে একথা সত্যি যে সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে এক বছর অন্তর পালটে ফেলতে হবে আপনার প্রতিদিনের ব্যবহার করা পায়ের চটিও। কারণ প্রতিদিন এতে আমাদের পায়ের ধুলোময়লা, ঘাম ইত্যাদি জমে জমে তা রীতিমতো ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়ে। আর তা অস্বাস্থ্যকরও হয়। তাই সময়মতো পালটে ফেলুন আপনার ব্যবহারের চটিটিও।
সর্বশেষ খবর
