Donald Trump | মাদকবাহী ডুবোজাহাজ ধ্বংস মার্কিন সেনার! ‘২৫ হাজার নাগরিকের মৃত্যু হতে পারত’, দাবি ট্রাম্পের   

Donald Trump | মাদকবাহী ডুবোজাহাজ ধ্বংস মার্কিন সেনার! ‘২৫ হাজার নাগরিকের মৃত্যু হতে পারত’, দাবি ট্রাম্পের   

ব্লগ/BLOG
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: ডুবোজাহাজে করে চোরাপথে আমেরিকায় নিষিদ্ধ মাদক পাচারের চেষ্টা করা হচ্ছিল। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) নির্দেশে ক্যারিবিয়ান সমুদ্রে ওই ডুবোজাহাজটি ধ্বংস করেছে মার্কিন সেনাবাহিনী (Drug-carrying submarine)। শনিবার একথা জানিয়েছেন ট্রাম্প নিজেই (US)।

ওই ডুবোজাহাজে চারজন ‘মাদকপাচারকারী জঙ্গি’ ছিল বলে দাবি করেছেন ট্রাম্প। যাদের মধ্যে দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। বাকি দু’জনকে আটক করে নিজেদের দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তারা যথাক্রমে ইকুয়েডর এবং কলম্বিয়ার বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। সেই সঙ্গে ট্রাম্প দাবি করেছেন, ডুবোজাহাজটিকে মার্কিন উপকূলে প্রবেশ করতে দিলে কমপক্ষে ২৫ হাজার মার্কিন নাগরিকের মৃত্যু হত।

ট্রাম্প নিজের ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে একটি পোস্টে লিখেছেন, ‘মাদক পাচারের একটা কুখ্যাত পথ ধরে আমেরিকার দিকে আসা একটি ডুবোজাহাজকে ধ্বংস করা হয়েছে। যা একটি বড় বিষয়। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা নিশ্চিত করেছে যে, ওই ডুবোজাহাজটিতে বেশিরভাগই ফেন্টানিল এবং অন্যান্য অবৈধ মাদকদ্রব্য ভর্তি ছিল।’ এরপরই তিনি বলেন, ‘আমি যদি ওই ডুবোজাহাজটিকে উপকূলে আসতে দিতাম, তাহলে কমপক্ষে ২৫ হাজার মার্কিন নাগরিকের মৃত্যু হতে পারত। এই অভিযানে মার্কিন বাহিনীর কোনও আঘাত লাগেনি। আমার নজরদারিতে আমেরিকায় স্থল বা সমুদ্রপথে অবৈধ মাদক পাচার করা যাবে না।’

এই অভিযানের একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে হোয়াইট হাউস। ওই ডুবোজাহাজটিতে কীভাবে হামলা চালিয়ে ধ্বংস করা হল, তা স্পষ্ট রয়েছে ভিডিওটিতে। কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো সে দেশের এক দুষ্কৃতীর কথা নিশ্চিত করে সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ‘আমরা আনন্দিত যে ও বেঁচে আছে। এরপর আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।’

যদিও ক্যারিবিয়ান সমুদ্রে ধ্বংস হওয়া এই ডুবোজাহাজটি কোন জায়গা থেকে যাত্রা শুরু করেছিল তা জানা যায়নি। তবে মার্কিন গোয়েন্দাদের অনুমান, মাদক পাচার চক্রের অন্যতম ঘাঁটি রয়েছে ভেনেজুয়েলায়। সেখান থেকেই আমেরিকার দিকে সমস্ত মাদকবাহী জলযান পাঠানো হয়। গত সেপ্টেম্বর থেকে ক্যারিবিয়ান সমুদ্রে মাদক পাচারের সন্দেহে মার্কিন সেনাবাহিনীর ষষ্ঠ অভিযান ছিল এটি।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *