Donald Trump | গাজায় পাক সেনা পাঠাতে মরিয়া ট্রাম্প

Donald Trump | গাজায় পাক সেনা পাঠাতে মরিয়া ট্রাম্প

শিক্ষা
Spread the love


ইসলামাবাদ ও ওয়াশিংটন: পাকিস্তানের ইতিহাসে সবচেয়ে ক্ষমতাধর সেনাপ্রধান তিনি। সেই ফিল্ড মার্শাল জেনারেল আসিম মুনিরই এবার বড় ধরনের ভূ-রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন। কয়েক সপ্তাহের মধ্যে তিনি ওয়াশিংটনে গিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে জানা গিয়েছে। এই বৈঠকের মূল আলোচ্য হল গাজায় শান্তি ও স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে আন্তর্জাতিক বাহিনীতে পাকিস্তানি সেনা মোতায়েন।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গাজার পুনর্গঠনের জন্য মুসলিম দেশগুলির সমন্বয়ে একটি বিশেষ বাহিনী গঠনের ২০ দফা পরিকল্পনা পেশ করেছেন। দু-বছরের বেশি সময় ধরে চলা ইজরায়েলি অভিযানের পর গাজার নিরাপত্তা এবং হামাসের নিরস্ত্রীকরণ করাই হবে এই বাহিনীর লক্ষ্য। ট্রাম্প মনে করেন, পাকিস্তানের যুদ্ধে অভিজ্ঞ সেনাবাহিনী এই মিশনের জন্য অত্যন্ত কার্যকর।

বিশ্লেষকদের মতে, আসিম মুনির ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে এক নজিরবিহীন বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। গত জুনে হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের সঙ্গে মুনিরের মধ্যাহ্নভোজ ছিল পাকিস্তানের কোনও সেনাপ্রধানের পক্ষে এক বিরল সম্মান। পাকিস্তান ইদানীং চরম অর্থনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং তারা মার্কিন বিনিয়োগ ও স্থগিত হওয়া নিরাপত্তা সহায়তা পুনরায় চালু করতে মরিয়া। এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়া মুনিরের জন্য কূটনৈতিকভাবে কঠিন হতে পারে। তবে দেশের মাটিতে এই সিদ্ধান্ত বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা ডেকে আনতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক বিশেষজ্ঞ মাইকেল কুগেলম্যান জানান, পাকিস্তান যদি এই মিশনে যোগ দেয়, তবে তা কট্টরপন্থী ইসলামি দলগুলিকে ক্ষুব্ধ করবে। গাজায় মার্কিন-সমর্থিত বাহিনীতে সেনা পাঠানোকে পাকিস্তানের সাধারণ মানুষ যে ভালোভাবে নেবেন না, তা বলাই বাহুল্য। ইতিমধ্যেই পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী ইশাক দার জানিয়েছেন, শান্তিরক্ষার কাজে সেনা পাঠানো নিয়ে আলোচনা হতে পারে, কিন্তু হামাসকে নিরস্ত্রীকরণ করা পাকিস্তানের কাজ নয়। মুনিরের অপ্রতিহত ক্ষমতার সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *