Donald Trump | ‘আমি না থাকলে ৩৫ মিলিয়ন মানুষ মারা যেত, বলেছিলেন শরিফ!’, ভারত-পাক সংঘর্ষ নিয়ে দাবি ট্রাম্পের

Donald Trump | ‘আমি না থাকলে ৩৫ মিলিয়ন মানুষ মারা যেত, বলেছিলেন শরিফ!’, ভারত-পাক সংঘর্ষ নিয়ে দাবি ট্রাম্পের

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: ফের নিজের ‘ত্রাতা’ ভাবমূর্তি তুলে ধরলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। মার্কিন কংগ্রেসে ‘স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন’ ভাষণ দেওয়ার সময় তিনি ফের দাবি করেন, তাঁর হস্তক্ষেপের কারণেই গত বছর ভারত ও পাকিস্তানের (India Pakistan battle) মধ্যে পরমাণু যুদ্ধ (Nuclear Conflict) এড়ানো সম্ভব হয়েছে। ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ (Pakistan PM Shehbaz Sharif) তাঁকে জানিয়েছেন যে, দুই দেশের সংঘাত থামাতে আমেরিকা এগিয়ে না এলে অন্তত ৩ কোটি ৫০ লক্ষ (৩৫ মিলিয়ন) মানুষের মৃত্যু হতে পারতো।

মার্কিন কংগ্রেসে দাঁড়িয়ে ট্রাম্প সগর্বে বলেন, ‘প্রথম ১০ মাসেই আমি আটটি যুদ্ধ থামিয়েছি। ভারত ও পাকিস্তান আজ পরমাণু যুদ্ধে লিপ্ত থাকতো যদি আমি না থাকতাম। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নিজেই আমাকে বলেছেন, আমার ভূমিকার জন্য ৩ কোটি ৫০ লক্ষ কোটি প্রাণ বেঁচেছে।’ এখানেই শেষ নয়, ট্রাম্প জানিয়েছেন তাঁর প্রশাসন এখন নবম যুদ্ধ অর্থাৎ রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘর্ষ থামাতে মরিয়া হয়ে কাজ করছে। তাঁর দাবি, তিনি প্রেসিডেন্ট থাকলে এই যুদ্ধ কোনওদিন শুরুই হত না।

গত বছর এপ্রিলে পহেলগাওয়ে জঙ্গি হামলার জবাবে গত ৭ মে পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের জঙ্গি পরিকাঠামো ধ্বংস করতে ‘অপারেশন সিঁদুর’ শুরু করে ভারতীয় সেনাবাহিনী। সেই সময় দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। ট্রাম্পের দাবি, তিনি দুই দেশকেই ২০০ শতাংশ ট্যারিফ বা শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছিলেন, যার ফলে গত ১০ মে সংঘর্ষবিরতি ঘোষণা করতে বাধ্য হয় দিল্লি ও ইসলামাবাদ।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গত এক বছরে অন্তত ৮০ বার এই কৃতিত্ব দাবি করলেও, ভারত বরাবরই তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপের তত্ত্ব খারিজ করে এসেছে। নয়াদিল্লির স্পষ্ট বক্তব্য, কোনও বিদেশি শক্তির চাপে নয়, বরং দুই দেশের ডিজিএমও (DGMO) স্তরে সরাসরি আলোচনার মাধ্যমেই সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছিল। ভারতের সাফ কথা, দ্বিপাক্ষিক ইস্যুতে কোনও তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতা বরদাস্ত করা হবে না।

ট্রাম্পের এই মন্তব্য ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে ফের শোরগোল শুরু হয়েছে। একদিকে যখন তিনি নিজেকে শান্তির দূত হিসেবে তুলে ধরছেন, তখন ভারত তাঁর এই দাবিকে সত্যের অপলাপ হিসেবেই দেখছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *