উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যের আকাশ এখন বারুদের গন্ধে ভারী। মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযানে কার্যত কোণঠাসা হয়ে পড়েছে ইরান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের ৯টি গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধজাহাজ সমুদ্রের তলদেশে পাঠিয়ে দিয়েছে মার্কিন নৌবাহিনী। একইসঙ্গে তেহরানের নৌ-সদরদপ্তরও (Naval Headquarters) ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় প্রায় মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে।
ট্রাম্পের হুঙ্কার: “সবই হবে সমুদ্রের তলদেশের বাসিন্দা”
নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ (Reality Social) ট্রাম্প লিখেছেন, “আমাকে জানানো হয়েছে যে আমরা ইরানের ৯টি যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস করেছি, যার মধ্যে বেশ কয়েকটি বেশ বড় এবং রণকৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। বাকিগুলোকেও আমরা ধাওয়া করছি—খুব শীঘ্রই ওগুলোও সমুদ্রের তলদেশে ভাসবে!”
খতম ৪৮ ইরানি নেতা
এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এই অভিযানের অবিশ্বাস্য সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরেন। তিনি দাবি করেন, মার্কিন ও ইসরায়েলি বোমাবর্ষণে ইরানের অন্তত ৪৮ জন শীর্ষস্থানীয় নেতা নিহত হয়েছেন। ট্রাম্পের ভাষায়, “কেউ বিশ্বাস করতে পারবে না যে আমরা কতটা সফল হচ্ছি। এক আঘাতেই ৪৮ জন নেতা শেষ! সবকিছু খুব দ্রুত এগোচ্ছে।”
লক্ষ্য: শাসনব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন
গত শনিবার থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল ইরানের ইসলামি শাসনব্যবস্থার শীর্ষ নেতৃত্বকে সরিয়ে দেওয়া এবং দেশটির সামরিক সক্ষমতাকে চিরতরে পঙ্গু করে দেওয়া। ইরান ইতিমধ্যেই তাদের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেইর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানিয়েছেন, এই অভিযান কেবল আমেরিকার জন্য নয়, বরং গোটা বিশ্বের জন্য। তিনি দাবি করেন, পরিকল্পনা অনুযায়ী সবকিছু সময়ের আগেই এগোচ্ছে।
