উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: অবশেষে সম্পন্ন হলো দীপিকা কক্কড়ের (Dipika Kakar Well being Replace) অস্ত্রোপচার। গত কয়েকদিন ধরে পেটে যন্ত্রণার পর অভিনেত্রীর যকৃতে (Liver) ধরা পড়া নতুন একটি ১.৩ সেন্টিমিটারের টিউমার মঙ্গলবার অপসারণ করা হয়েছে।
অস্ত্রোপচার পরবর্তী আপডেট:
মঙ্গলবার রাতে দীপিকার স্বামী শোয়েব ইব্রাহিম সোশ্যাল মিডিয়ায় অনুরাগীদের আশ্বস্ত করে লেখেন, ““আল্লার আশীর্বাদ আর আপনাদের সকলের প্রার্থনায় দীপিকার অস্ত্রোপচার হয়ে গিয়েছে। সব ভালোমতোই মিটেছে। সে এখন সুস্থ আছে, তবে কিছুটা যন্ত্রণার মধ্যে রয়েছে। উদ্বেগের কোনো কারণ নেই। পাশে থাকার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ।”
হঠাৎ কেন এই অস্ত্রোপচার?
সম্প্রতি নিজেদের ইউটিউব ভ্লগে দীপিকা ও শোয়েব জানিয়েছিলেন যে, গত বছরের ক্যানসার চিকিৎসার পর আবারও একটি নতুন সমস্যা দেখা দিয়েছে। গত শুক্রবার থেকে দীপিকার পেটে অসহ্য যন্ত্রণা শুরু হয়। সিটি স্ক্যান (CT Scan) করার পর ধরা পড়ে ১.৩ সেন্টিমিটারের একটি সিস্ট বা টিউমার। চিকিৎসকদের মতে, এই ধরনের টিউমার খুবই আক্রমণাত্মক হয় এবং পুনরায় ফিরে আসার সম্ভাবনা থাকে। তাই কোনো ঝুঁকি না নিয়ে দ্রুত সেটিকে পুড়িয়ে (Burn) ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
চিকিৎসায় বড় বদল:
গত বছরের মে মাসে দীপিকার যকৃতে টেনিস বলের সমান একটি ক্যানসারাস টিউমার ধরা পড়েছিল। জুনে বড় অস্ত্রোপচারের পর থেকে তিনি চিকিৎসাধীন। শোয়েব জানান, এবারের এই নতুন টিউমার ধরা পড়ার পর দীপিকার চিকিৎসায় বড় বদল আসতে পারে। সম্ভবত ওরাল কেমোথেরাপি বন্ধ করে তাঁকে ‘ইমিউনোথেরাপি’র (Immunotherapy) আওতায় আনা হবে।
আবেগপ্রবণ দীপিকা:
অস্ত্রোপচারের আগে দীপিকা আবেগপ্রবণ হয়ে জানিয়েছিলেন, “বিবাহবার্ষিকীতে শোয়েবের জন্য অনেক পরিকল্পনা ছিল আমার। কিন্তু তা হল না। ” বর্তমানে ৩-৪ দিন দীপিকাকে হাসপাতালেই পর্যবেক্ষণে রাখা হবে বলে জানা যাচ্ছে।
