Dhupguri | লাইসেন্সহীন ওষুধের রমরমা ধূপগুড়ি-বানারহাটে, ভুল চিকিৎসার আশঙ্কায় সিঁদুরে মেঘ দেখছেন সাধারণ মানুষ

Dhupguri | লাইসেন্সহীন ওষুধের রমরমা ধূপগুড়ি-বানারহাটে, ভুল চিকিৎসার আশঙ্কায় সিঁদুরে মেঘ দেখছেন সাধারণ মানুষ

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


শুভাশিস বসাক, ধূপগুড়ি: লাইসেন্স ছাড়াই ধূপগুড়ি (Dhupguri) এবং বানারহাট ব্লকের একাধিক এলাকায় রমরমিয়ে চলছে ওষুধের দোকান। অভিযোগ, চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়াই দোকানদাররা ওষুধ দিয়ে দেন। তাছাড়া অধিকাংশ দোকানদারের ওষুধ সম্পর্কে কোনও ধারণা না থাকা সত্ত্বেও ছোটখাটো বিভিন্ন রোগে তাঁরা নিজেরাই ওষুধ দেন। ফলে সাধারণ মানুষের ঝুঁকি বাড়ছে। বেআইনি ওষুধের দোকানগুলি নিয়ে স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে শুরু করে ড্রাগ কন্ট্রোলার দপ্তরে একাধিকবার নালিশ জানানো হলেও কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি বলে অভিযোগ। জলপাইগুড়ি জেলার অ্যাসিস্ট্যান্ট ডাইরেক্টর অফ ড্রাগ কন্ট্রোল সমীক সাহা অবশ্য বলছেন, ‘পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

ধূপগুড়ি ব্লকে গাদং-১, গাদং-২, মাগুরমারি-১ গ্রাম পঞ্চায়েত এবং বানারহাট ব্লকের সাঁকোয়াঝোরা সুস্বাস্থ্যকেন্দ্রের সামনে বেআইনিভাবে ওষুধের দোকানগুলি গজিয়ে উঠেছে। এর আগে ধূপগুড়ি ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবৈধভাবে ডায়াগনস্টিক সেন্টার খোলার অভিযোগ উঠেছিল। তখন স্বাস্থ্য দপ্তর অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করে দেয়। ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পর এবার নতুন করে অভিযোগ উঠেছে ওষুধের দোকান নিয়ে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একদিকে ওষুধ যেমন প্রাণ বাঁচায়, তেমনই ভুল ওষুধের কারণে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। আর ওষুধের ক্ষেত্রে ধারণা থাকাটাও জরুরি। প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওযুধ দেওয়া আইনত অপরাধ। অনেকক্ষেত্রে ক্রেতারা জানেনই না, ওই দোকানগুলি অবৈধভাবে চলছে বা দোকানদারের কোনও অভিজ্ঞতা নেই।

আংরাভাসার বাসিন্দা সমীর মণ্ডলের অভিযোগ, অনেক সময় প্রেসক্রিপশন নিয়ে গেলে ওই দোকানের কর্মচারী বা মালিকরা দুর্ব্যবহার করেন। ওষুধ না থাকলে অন্য ওষুধ গছিয়ে দেন। তিনি বলেন, ‘চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন নিয়ে গেলে দোকানদার ওষুধ দিতে চায় না। উলটে দুর্ব্যবহার করে। চিকিৎসকদের জানিয়েও কোনও সুরাহা হয়নি। এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।’ গাদং-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন, ‘ছোট ঘরের মধ্যে ওষুধ বিক্রি হচ্ছে। প্রেসক্রিপশন নিয়ে গেলে সেই ওষুধ অনেক সময় পাওয়া যায় না। কিন্তু দোকানদার অন্য ওষুধ চালিয়ে দিতে চায়। এর আগেও স্বাস্থ্য দপ্তরের আধিকারিকদের জানানো হলে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি।’ তবে পুরো বিষয়টি শোনার পর জেলার ড্রাগ কন্ট্রোলার দপ্তর পদক্ষেপ করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছে। এখন কবে অবৈধ ওষুধের দোকান চালানো বন্ধ হবে, সেটাই দেখার।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *