Dharmendra | শিক্ষকের ছেলে, রেলের চাকরি ছেড়ে বলিউডে আসেন! কেমন ছিল ধর্মেন্দ্রর জীবনের ওঠাপড়া?

Dharmendra | শিক্ষকের ছেলে, রেলের চাকরি ছেড়ে বলিউডে আসেন! কেমন ছিল ধর্মেন্দ্রর জীবনের ওঠাপড়া?

খেলাধুলা/SPORTS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: ৬ দশকের বর্ণময় পথচলা। ঝুলিতে ৩০০র বেশি ছবি, অসংখ্য ব্লক বাস্টার রয়েছে কেরিয়ারে। সোমবারের দুপুরে যখন ধরম সিং দেওলের নশ্বর দেহ মুম্বইয়ের ভিলে পার্লের শ্মশানে প্রবেশ করছিল তখনও অনুরাগীরা অনেকেই জানতে পারেননি ‘হি-ম্যান’ (Dharmendra) আর নেই। শেষ যাত্রা নিয়ে চূড়ান্ত গোপনীয়তা বজায় রেখেছিলেন স্ত্রী হেমামালিনী, ছেলে সানি দেওলরা।

তবে ইন্ডাস্ট্রিতে ধর্মেন্দ্রর লড়াই কিন্তু আদৌ সহজ ছিল না। ১৯৩৫ সালের ডিসেম্বর মাসে লুধিয়ানার নাসরালি গ্রামে জন্ম হয় ধর্মেন্দ্রের। বাবা স্কুলের প্রধান শিক্ষক হলেও সংসারে কমবেশি অভাব ছিল। বাবা চেয়েছিলেন ছেলে পড়াশোনা করে চাকরি করুক। কিন্তু ধর্মেন্দ্রর জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয় মনোজ কুমারের সিনেমা শহিদ। দশম শ্রেণিতে পড়ার সময় শহিদে মনোজ কুমারের অভিনয় দেখে মুগ্ধ ধর্মেন্দ্র সিদ্ধান্ত নিয়ে নেন তিনি অভিনেতাই হবেন। তবে পরিবারের আর্থিক টানাপোড়েনের কারণে রেলের কেরানি পদে চাকরিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। মাসিক বেতন ছিল ১২৫ টাকা। কিন্তু মনের ভেতর অভিনেতা হওয়ার ইচ্ছেটা ছিলই।

শেষ পর্যন্ত চাকরি ছেড়ে লুধিয়ানা থেকে মুম্বই (Mumbai) চলে গিয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র। এরপর শুরু হয় সংগ্রাম। পরিচালকদের দরজায় দরজায় ঘুরতে হত তাঁকে। শোনা যায় ধর্মেন্দ্রর জন্য ট্যাক্সির ভাড়া মিটিয়ে তাকে বেইজ্জত হওয়ার হাত থেকে বাঁচিয়েছিলেন শশী কাপুর (Shashi Kapoor)। মনোজ কুমারও তাঁকে নানা পরামর্শ দিয়েছেন। ধর্মেন্দ্রের জীবনে নাকি এমন সময়ও এসেছিল যখন তাঁর জামাকাপড় কেনার টাকাও ছিল না। বলিউডের গুঞ্জন, মনোজ নাকি তাঁকে জামাকাপড় কেনার টাকা দিয়েছিলেন। এই পরিস্থিতিতে অভিনেতা হওয়ার ইচ্ছে ত্যাগ করে পঞ্জাব ফিরে যাওয়ার কথাও ভেবেছিলেন ধর্মেন্দ্র। কিন্তু ১৯৬০ সালে ‘দিল ভি তেরা হম ভি তেরে’ ছবিতে অভিনয়ের সুযোগ আসে তার। কিন্তু সেই ছবি বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়ে। প্রথম প্রথম সেভাবে দাগ কাটতে পারেননি। ১৯৬০ থেকে ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত মোট ২০টি ছবিতে অভিনয় করলেও কোনওটিই তেমন সফল ছিল না। তবে ‘ফুল অউর পত্থর’ ‘সত্যকাম’, ‘শোলে’, ‘আঁখে’, ‘কর্তব্য’-এর মতো ছবি ক্রমেই তাঁকে আলাদা পরিচিতি দেয়। এরপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। ৭০-৮০র দশকে একাই বলিউড শাসন করেছেন বলা যায়। বলিপাড়ায় কেরিয়ার শুরুর আগে মাত্র ১৯ বছর বয়সে নায়কের প্রথম বিয়ে। বিয়ে করেন প্রকাশ কাউরকে। প্রকাশের ছেলেই সানি দেওল, ববি দেওল। প্রকাশ ও ধর্মেন্দ্রর ২ মেয়েও রয়েছে, বিজেতা ও অজিতা। এরপর প্রথম স্ত্রীকে বিবাহবিচ্ছেদ না দিয়েই ১৯৮০ সালের মে মাসে হেমামালিনীকে বিয়ে করেন ধর্মেন্দ্র। হেমা ও ধর্মেন্দ্রর কন্যা এষা দেওল ও অহনা দেওল। ডিসেম্বর মাসেই ৯০ বছরে পা দিতে চলেছিলেন ধর্মেন্দ্র। কিন্তু তার আগেই প্রয়াত হলেন তিনি।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *