উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: ১৪ অগাস্ট বড় পর্দায় মুক্তি পেয়েছে ‘ধূমকেতু’ (Dhumketu)। ছবি মুক্তির আগে ট্রেলার লঞ্চে দর্শক দেব-শুভশ্রী (Dev-Subhashree) জুটির ম্যাজিক দেখলেও বক্স অফিসে সিনেমার দৌড় শুরু হতেই ফের ‘দেশু’ জুটিতে ফাটল! ছবি মুক্তির পরই যেন বদলে গেল সমীকরণ। দেশু অনুরাগীরা বলছেন, ‘এ তো রীতিমতো ফ্যানদের আবেগ নিয়ে ছিনিমিনি খেলা!’
দেবের সাম্প্রতিক একটি মন্তব্যকে ঘিরে শুরু হয়েছে চর্চা। ‘ধূমকেতু’ ২০২৫ সালে তৈরি হলে, শুভশ্রীকে কি ছবিতে নায়িকা হিসেবে বেছে নিতেন দেব? এই প্রসঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে অভিনেতা জানিয়েছিলেন, ‘ডিপেন্ড করছে ও এখন কোন স্টেজে থাকত। ওর বিয়ে হয়ে গিয়েছে কিনা, অথবা দুটো বাচ্চার মা হয়ে গিয়েছে কিনা এই সবকিছুই দেখতাম তখন।’ সেই সাক্ষাৎকারেই দেবের সংযোজন, ‘আমি ছবিতে থাকলে আমাকে ওকেও নিতে হত, কিন্তু আমার চরিত্র কী ডিমান্ড করছে সেটাও আমাকে দেখতে হতো। শুভশ্রীর মধ্যে যদি সেই সারল্য না থাকত, তাহলে অন্য অভিনেত্রীকে বেছে নিতে হতো। শুভশ্রীর জায়গায় তখন অন্য কেউ কাজ করত।’ দেব জানান, শুভশ্রী যদি চরিত্রের জন্য যথাযথ না হতেন তাহলে ছবিতে হয়তো তাকে নেওয়া হতো ঠিকই তবে মুখ্য চরিত্রে নয়, হয়তো অন্য কোনও চরিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব দেওয়া হতো তাকে। আর এমন মন্তব্যের পরই নেটপাড়ায় তুমুল হইচই শুরু হয়।
সেই প্রেক্ষিতে এবার নয়নদীপ রক্ষিতকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শুভশ্রী বলেন, ‘একজন সংবেদনশীল মানুষ কীভাবে এই ধরনের কথা বলে, আমার জানা নেই। আমার কোনোদিনই পার্শ্বচরিত্র করতে অসুবিধে নেই। আমার সন্তান হয়েছে। আমার কাছে চরিত্রটা গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু ২০২৫ সালে দাঁড়িয়ে এরকম একটা অসম্মানজনক মন্তব্য, যেখানে তুমি একটা ছবির প্রচার করছো, একজন হিরোইনের সঙ্গে। আমি সত্যিই জানি না…।’ ‘দেশু’ জুটিকে ফের পর্দায় দেখা যাবে কিনা, তার উত্তরে শুভশ্রীর জবাব, ‘জানি না, মা হয়ে গিয়েছি, চেহারায় সেই সারল্য তো নেই।’ এদিকে দুই তারকার এমন বিপরীতমুখী অবস্থান দেখে অনুরাগীদের প্রশ্ন, তবে কি ‘ধূমকেতু’র ব্যবসা ৩০ কোটি পার করাতে ফ্যানেদের আবেগ নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হল?।
