উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক : বাবরি মসজিদ ধ্বংসের বদলা নিতে ৬ ডিসেম্বর দিল্লি-এনসিআরে ৬টি বিস্ফোরণের পরিকল্পনা করেছিল ‘ডাক্তার মডিউল’। দিল্লি বিস্ফোরণে ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এমনই জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। একটি সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, জইশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজন জঙ্গিরা ৬ ডিসেম্বর জাতীয় রাজধানী অঞ্চলে ধারাবাহিক বিস্ফোরণের পরিকল্পনা করেছিল। তাৎপর্যপূর্ণভাবে ১৯৯২ সালে এই দিনেই অযোধ্যার বাবরি মসজিদ ভেঙে ফেলা হয়েছিল। বাবরি মসজিদ ধ্বংসের বদলা নিতে এই দিনটি বেছে নিয়েছিল ‘ডাক্তার মডিউল’। বহু বছর ধরেই জইশ-ই-মহম্মদ বাবরি মসজিদ ধ্বংসের প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছে। জইশ প্রধান মাসুদ আজহার তার সাপ্তাহিক কলামে অযোধ্যাকে লক্ষ্যবস্তু করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে।
দিল্লিতে লাল কেল্লা মেট্রো স্টেশনের কাছে একটি ট্রাফিক সিগন্যালের কাছে একটি চারচাকা গাড়িতে বিস্ফোরণে অন্তত তেরো জন নিহত এবং ২০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন। ফরিদাবাদের আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত কাশ্মীরি চিকিৎসক উমর মহম্মদ ওরফে উমর উন-নবি গাড়িটি চালাচ্ছিলেন। ফরিদাবাদে ২,৯০০ কেজি বিস্ফোরক উদ্ধারের পর এই বিস্ফোরণ ঘটে। নাশকতার পরিকল্পনায় জড়িত সন্দেহে ইতিমধ্যে চিকিৎসক মুজাম্মিল, শাহিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, উচ্চ শিক্ষিত পেশাদারদের নিয়ে গঠিত জইশের নবগঠিত সন্ত্রাসী মডিউলের অংশ এই চিকিৎসকরা। জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ এটাকে বলছে ‘হোয়াইট কলার টেরর মডিউল’। এর অন্যতম প্রধান সদস্য ছিল উমর নবি। তার ছবি ধরা পড়েছে সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে।
