উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: দিল্লির বিস্ফোরণ (Delhi Blast) নিয়ে গর্জে উঠলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার সকালে এক্স হ্যান্ডেলে দীর্ঘ পোস্ট করলেন অভিষেক। তিনি লেখেন, ‘আদালতের নজরদারিতে সিট গঠন করে তদন্ত করা হোক।’
দিল্লি বিস্ফোরণ নিয়ে এদিন অভিষেক (Abhishek Banerjee) সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, ‘আমি দিল্লির লালকেল্লার কাছে বিস্ফোরণের ঘটনায় আমি গভীরভাবে শোকাহত। বিস্ফোরণ বহু মানুষের প্রাণহানি হয়েছে। অনেকেই জখম। স্বজনহারা পরিবারের প্রতি আমি শ্রদ্ধা জানাই। জখমদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি। দিল্লির প্রাণকেন্দ্রের এই ঘটনায় আমি সত্যিই বিস্মিত। দিল্লি পুলিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অধীন, তাদের উচিত ছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষার। কীভাবে নিরাপত্তায় এত বড় গাফিলতি হল? সোমবার সকালে ফরিদাবাদে সাড়ে তিনশো কেজির কাছাকাছি বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে। এই ঘটনা অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা এবং নজরদারি নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন তুলে দেওয়ার মতো। সত্য উদঘাটনে এবং দোষীদের চিহ্নিত করতে প্রয়োজনে আদালতের নজরদারিতে সিট গঠন করা হোক।’
I’m deeply shocked and anguished to study of the tragic explosion close to Delhi’s Purple Fort, which has reportedly claimed a number of lives and left many others injured. My heartfelt condolences exit to the bereaved households and my prayers are with these recovering from their…
— Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) November 11, 2025
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সোমবার সন্ধ্যায় দিল্লির লালকেল্লার কাছে সিগন্যালে দাঁড়িয়ে থাকা একটি হুন্ডাই আই২০ গাড়িতে বিস্ফোরণ ঘটে। ঘটনায় মৃত্যু হয় ৮ জনের, আহত অন্তত ২০ জন। সিসিটিভি ফুটেজ (CCTV) দেখে তদন্তকারীরা জানতে পারেন, পার্কিং লট থেকে বেরনোর সময় গাড়িতে একজনই ছিলেন। মেট্রো স্টেশন পর্যন্ত তিনি গাড়িটি চালিয়ে এনে বিস্ফোরণ ঘটায়। তবে বিস্ফোরণস্থল ও যেভাবে দেহগুলি পুড়ে গিয়েছে তাতে অনুমান আইইডি বা ওই ধরনের কোনও বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়েছিল। হামলার ধরন দেখে তদন্তকারীরা অনুমান করছেন এর নেপথ্যে জইশ-ই-মহম্মদের হাত রয়েছে। ইতিমধ্যেই ওই গাড়ির মালিক মহম্মদ সলমনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি এদিন আরও চারজনকে গ্রেপ্তার (Arrest) করা হয়েছে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য। যদিও তাঁদের নাম-পরিচয় এখনও প্রকাশ্যে আনা হয়নি। এমনকি তাঁরা বিস্ফোরণের সঙ্গে জড়িত কি না, তাও স্পষ্ট নয়।
