Cooch Behar | হোটেল ও রেস্তোরাঁয় অভিযানে লোকবলের ঘাটতি, পথের খাবারে আশঙ্কা বাড়ছে

Cooch Behar | হোটেল ও রেস্তোরাঁয় অভিযানে লোকবলের ঘাটতি, পথের খাবারে আশঙ্কা বাড়ছে

ভিডিও/VIDEO
Spread the love


কোচবিহার: কোচবিহার  শহরের বাসস্ট্যান্ড, কাছাির মোড়, সিলভার জুবিলি রোড, নরেন্দ্রনারায়ণ রোড সহ একাধিক জায়গায় বেশ কিছু হোটেল এবং রেস্তোরাঁ রয়েছে। এছাড়াও সন্ধ্যা নামলেই শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় দেখা মেলে ফাস্ট ফুড দোকানিদের। সেই হোটেল এবং ফাস্ট ফুড বিক্রেতারা আদৌ খাবার কতটা স্বাস্থ্যবিধি মেনে তৈির করছেন, তা নিয়ে চিন্তিত শহরের বাসিন্দারাই।

তাঁদের একাংশের অভিযোগ, দোকানগুলিতে খাবার কোথায় রান্না করা হচ্ছে, সেখানে স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে কি না, খাবারে রং ব্যবহার করা হচ্ছে কি না, এগুলি দেখা হচ্ছে না। এইসব দোকানের খাবার আদৌ কতটা স্বাস্থ্যসম্মত, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু হয়েছে।

মাসখানেক আগে কোচবিহার পুরসভার তরফে শহরের কয়েকটি বিরিয়ানির দোকান এবং হোটেলে অভিযান চালানো হয়। সেসময় শহরের একটি হোটেল থেকে বাসি মাংস সহ বাসি খাবার ফেলে দেওয়া হয়। এই ঘটনার কয়েকদিন পর ফের পুলিশ ও স্বাস্থ্য দপ্তরের কয়েকজন আধিকারিক শহরের ধর্মতলা সংলগ্ন এলাকার খাবারের দোকানে অভিযান চালিয়ে হোটেলের ফ্রিজ থেকে বাসি খাবার ফেলে দেন। হোটেলের রান্নার জায়গাগুলির পরিস্থিতি দেখে উষ্মা প্রকাশ করেন তাঁরা। সেখানেই শেষ নয়। হোটেলের বৈধ ফুড লাইসেন্সও কর্তৃপক্ষ দেখাতে পারেনি। শুধু ওই দোকানিই নন, শহরের বেশ কিছু খাবারের দোকানের ফুড লাইসেন্স নেই বলে অভিযোগ। এসবের পরেও কেন কর্তৃপক্ষ শহরের খাবারের দোকানগুলিতে লাগাতার অভিযান চালাচ্ছে না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

শহরের বাসিন্দা অনির্বাণ রায় বলেন, ‘কিছুদিন আগে সংবাদমাধ্যমে পড়ে হোটেলে বাসি খাবার বিক্রির বিষয়টি জানতে পারি। বাসি খাবার খেলে শারীরিক সমস্যা হতে পারে। তাই বিষয়টি নিয়ে দপ্তরের মাঝেমধ্যেই অভিযান চালানো উচিত বলে আমি মনে করি।’

জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক হিমাদ্রিকুমার আড়ির আশ্বাস, ‘শহর এবং গ্রামে সর্বত্রই আমাদের অভিযান চলছে। এবিষয়ে দোকানিদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষদেরও সচেতন হওয়া জরুরি।’ যদিও বিষয়টি স্বীকার করে নিয়ে পুরসভার স্যানিটারি ইনস্পেকটর (ইনচার্জ) সৌরভ চক্রবর্তী বলেন, ‘আমাদের স্টাফ অনেকটাই কম। সেকারণে নিয়মিত অভিযান চালাতে আমাদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। তাছাড়াও যেহেতু এখন ডেঙ্গি সচেতনতা নিয়ে কাজ করতে হচ্ছে, তাই খাবারের দোকানে অভিযান খুব কম চালানো হচ্ছে। খুব শীঘ্রই খাদ্য দপ্তরের আধিকারিকদের নিয়ে আমরা খাবারের দোকানগুলিতে অভিযান চালাব।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *