Central Drive Route March | ভোটের আগেই অ্যাকশনে কমিশন! প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে টহলের কড়া ডেডলাইন

Central Drive Route March | ভোটের আগেই অ্যাকশনে কমিশন! প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে টহলের কড়া ডেডলাইন

ব্লগ/BLOG
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Meeting Election 2026) দামামা বাজার আগেই রাজ্যে নিরাপত্তার বজ্রআঁটুনি নিশ্চিত করতে চাইছে নির্বাচন কমিশন। মঙ্গলবার কমিশনের পক্ষ থেকে রাজ্যকে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, আগামী ১৪ মার্চ রাত ৮টার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে (Central Drive Route March) দিয়ে রুটমার্চ বা টহলদারির কাজ শেষ করতে হবে। মূলত ভোটারদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে এবং শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতেই এই ‘ডেডলাইন’ বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

৫০ হাজার আধাসেনায় মুড়বে বাংলা

কমিশন সূত্রে খবর, এবারের নির্বাচনে বাংলায় মোট ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। প্রতি কোম্পানিতে ১০০ থেকে ১২০ জন জওয়ান থাকেন, সেই হিসেবে প্রায় ৫০ হাজার আধাসেনা গোটা রাজ্যে মোতায়েন থাকবে। ইতিমধ্য়েই প্রথম দফায় ২৪০ কোম্পানি বাহিনী রাজ্যে পৌঁছে এলাকা চেনার কাজ শুরু করে দিয়েছে। কলকাতায় আপাতত ৩০ কোম্পানি বাহিনী নামানো হয়েছে। ৮০ হাজারেরও বেশি বুথ সামলাতে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতি নিশ্চিত করতে চাইছে কমিশন।

জেলায় জেলায় বাহিনীর বিন্যাস

কোন জেলায় কত বাহিনী থাকবে, তার একটি খসড়া তালিকাও সামনে এসেছে। স্পর্শকাতরতা ও বুথ সংখ্যার নিরিখে সবচেয়ে বেশি বাহিনী পাচ্ছে উত্তর ২৪ পরগনা ও মুর্শিদাবাদ। এই দুই জেলায় ৫৮ কোম্পানি করে বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। এছাড়া দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৩৩ কোম্পানি এবং কলকাতায় ৩০ কোম্পানি বাহিনী থাকছে। অন্যান্য জেলাগুলোর মধ্যে পূর্ব মেদিনীপুরে ২৮, হুগলিতে ২৭, পূর্ব বর্ধমানে ২৫ এবং নদিয়ায় ২২ কোম্পানি বাহিনী থাকবে। জঙ্গলমহলের জেলা যেমন পুরুলিয়া ও পশ্চিম মেদিনীপুরে ২০ কোম্পানি করে বাহিনী মোতায়েন হচ্ছে। উত্তরবঙ্গের মালদায় ১৮ এবং দার্জিলিংয়ে ১৬ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কোচবিহারে ১৫ কোম্পানি, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং জলপাইগুড়িতে ১০ কোম্পানি করে বাহিনী মোতায়েন হচ্ছে। আলিপুরদুয়ারেও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা হচ্ছে সাত কোম্পানি এবং কালিম্পংয়ে চার কোম্পানি।

একাধিক দফায় ভোটের ইঙ্গিত

কমিশন (ECI) সূত্রে জানা গিয়েছে, ৯৪ হাজার পর্যন্ত বুথ সংখ্যা বাড়তে পারে। এত বিপুল সংখ্যক বুথে প্রতিটি কেন্দ্রে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করাতে হলে এক দফায় নির্বাচন করা কার্যত অসম্ভব। ফলে গতবারের মতোই এবারও একাধিক দফায় ভোটগ্রহণের পথে হাঁটতে পারে কমিশন। আপাতত এলাকা চেনা এবং রুটমার্চের মাধ্যমে ভোটারদের অভয় দেওয়াই বাহিনীর প্রধান লক্ষ্য।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *