Board of Peace | দাভোসে ট্রাম্পের ‘বোর্ড অফ পিস’: একগুচ্ছ বিতর্ক নিয়ে যাত্রা শুরু নতুন সংস্থার

Board of Peace | দাভোসে ট্রাম্পের ‘বোর্ড অফ পিস’: একগুচ্ছ বিতর্ক নিয়ে যাত্রা শুরু নতুন সংস্থার

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের চেনা জৌলুস আর অভিজাত পরিবেশের ঠিক উল্টো এক আবহে দাভোসে জন্ম নিল এক নতুন আন্তর্জাতিক সংস্থা— ‘বোর্ড অফ পিস’। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই ব্যক্তিগত উদ্যোগে শামিল হলেন এমন কিছু রাষ্ট্রপ্রধান, যাঁদের বিশ্বরাজনীতিতে ‘স্ট্রংম্যান’ বা একনায়ক হিসেবেই চেনে দুনিয়া। তবে ইউরোপের শক্তিশালী দেশগুলোর অনুপস্থিতি এবং পুতিনের অন্তর্ভুক্তির সম্ভাবনা এই সংস্থাকে শুরুতেই বিতর্কের মুখে ঠেলে দিয়েছে।

ট্রাম্পের আমন্ত্রণে এদিনের সভায় উপস্থিত ছিলেন আর্জেন্টিনার জাভিয়ের মিলেই, হাঙ্গেরির ভিক্টর অরবান এবং ইন্দোনেশিয়ার প্রাবোও সুবিয়ান্তো। গ্যালারিতে বেলারুশের মতো দেশের প্রতিনিধিও ছিলেন, যাঁকে ইউরোপের ‘শেষ একনায়ক’ বলা হয়। ট্রাম্প মঞ্চে দাঁড়িয়ে স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে বলেন, “এখানে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর মানুষরা বসে আছেন। এদের সবাইকে আমি পছন্দ করি।” অথচ বাস্তব চিত্র ছিল ভিন্ন— বিশ্বের বড় অর্থনীতির দেশগুলোর বেশিরভাগই এই অনুষ্ঠান এড়িয়ে গিয়েছেন।

অভিযোগ উঠেছে, ট্রাম্প এই বোর্ড তৈরির মাধ্যমে ৮০ বছরের পুরনো সম্মিলিত জাতিপুঞ্জকে (UN) গুরুত্বহীন করতে চাইছেন। যদিও ট্রাম্প দাবি করেছেন যে তারা জাতিপুঞ্জের সাথে মিলেই কাজ করবেন, তবুও বক্তৃতার মাঝেই তিনি জাতিপুঞ্জকে ‘অকেজো’ বলতে ছাড়েননি। ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার এবং আবাসন ব্যবসায়ী স্টিভ উইটকফের মস্তিষ্কপ্রসূত এই সংস্থাটি আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ওয়াশিংটনে তাদের প্রথম সম্মেলন ডাকতে চলেছে।

এদিনের অনুষ্ঠান শেষে হোয়াইট হাউস একে ‘বিরাট সাফল্য’ দাবি করলেও বেলজিয়ামের মতো দেশ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে যে তারা এই চার্টারে স্বাক্ষর করেনি। অন্যদিকে ফ্রান্সের ইমানুয়েল মাকরঁ এবং ইতালির জর্জিয়া মেলোনির মতো নেতারাও নানা অজুহাতে এই আয়োজন থেকে দূরত্ব বজায় রেখেছেন। ইউরোপীয় কূটনীতিকদের মতে, এটি আসলে ট্রাম্পের পছন্দের কিছু ‘স্বৈরাচারী’ নেতার ক্লাব বা ‘গ্যালারি অফ রোগস’ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *