উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: শরীর চাঙ্গা রাখতে ফলের বিকল্প নেই। ভিটামিন, মিনারেল আর ফাইবারে ঠাসা ফল আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। কিন্তু সমস্যা বাঁধে ফলের মিষ্টত্ব নিয়ে। কলা বা আপেলের মতো অনেক ফল প্রাকৃতিক ভাবেই বেশ মিষ্টি, যা রক্তে শর্করার মাত্রা (ব্লাড সুগার) এক লাফে অনেকটা বাড়িয়ে দিতে পারে। বিশেষ করে প্রি-ডায়াবেটিক রোগীদের ক্ষেত্রে এটি চিন্তার বিষয়। তবে পুষ্টিবিদরা বলছেন, ফল খাওয়ার একটি ছোট্ট কৌশল বদলে দিতে পারে আপনার স্বাস্থ্য (Blood Sugar Management)।
কেন ফলের ওপর দারচিনির গুঁড়ো দেবেন?
ফল হলো ‘সরল শর্করা’, যা শরীরে প্রবেশের পর দ্রুত রক্তে মিশে যায়। কিন্তু ফলের ওপর এক চিমটে দারচিনির গুঁড়ো ছড়িয়ে খেলে সেই ঝুঁকি অনেকটাই কমে।
মেদ নিয়ন্ত্রণ: এটি মেটাবলিজম বাড়িয়ে শরীরকে চাঙ্গা রাখে এবং অতিরিক্ত ক্যালোরি জমতে বাধা দেয়।
শর্করা নিয়ন্ত্রণ: দারচিনি কোষে গ্লুকোজ শোষণ করতে সাহায্য করে। ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা হুট করে বাড়তে পারে না।
হজমশক্তি বৃদ্ধি: দারচিনিতে প্রচুর পরিমাণে পলিফেনল ও অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট থাকে, যা হজম প্রক্রিয়া উন্নত করে।
কখন ও কীভাবে খাবেন?
পুষ্টিবিদদের মতে, ফল খাওয়ার সময়ের ওপর তার গুণাগুণ নির্ভর করে। খালি পেটে ফল খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যেতে পারে। দিনের শুরুটা বরং প্রোটিন ও ফ্যাট সমৃদ্ধ খাবার দিয়ে করা ভালো, যা সারা দিন এনার্জি জোগাবে। আবার খুব ভরা পেটে ফল খাওয়াও ঠিক নয়, কারণ ফলের ‘ফ্রুক্টোজ’ তখন ফ্যাটে রূপান্তরিত হয়ে শরীরে জমতে পারে।
তাই সুস্থ থাকতে ফল খাওয়ার আগে এই ছোট ঘরোয়া টোটকাটি মেনে দেখুন। এতে ফলের পুষ্টিও মিলবে, আবার শর্করার ভয়ও থাকবে না।
