সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী মাস অর্থাৎ মার্চের শুরুতেই বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা হতে পারে। তার আগে ক্রমশ চড়ছে রাজনৈতিক পারদ। এর মধ্যেই শুভেন্দু অধিকারীর গড় হিসাবে পরিচিত পূর্ব মেদিনীপুরে বড়সড় ভাঙন বিজেপিতে। বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ ময়নার গোজিনা গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যা-সহ প্রায় ৫০০ পরিবারের। এর ফলে বিজেপির হাতছাড়া হল গোজিনা গ্রাম পঞ্চায়েত। যা ভোটের মুখে বিজেপি কাছে বড়সড় ধাক্কা বলেই মনেই করছে রাজনৈতিকমহল। শুধু তাই নয়, খোদ শুভেন্দু অধিকারীর জেলায় বিজেপিতে ভাঙন শাসকদল তৃণমূলকে বাড়তি অক্সিজেন দেবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন বঙ্গ বিজেপির কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। তৃণমূল কংগ্রেসকে ক্ষমতাচ্যুত করার চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু তার আগেই খোদ নিজের জেলাতেই চ্যালেঞ্জের মুখে বিরোধী দলনেতা! গত কয়েকদিন আগেই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন ময়নার বিজেপি নেতা চন্দন মণ্ডল। এবার স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের হাত ধরে তৃণমূলে যোগ দিলেন তাঁর স্ত্রী খুকুরানি মণ্ডল এবং স্থানীয় গোজিনা গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যা কাকলী চৌধুরী। একইসঙ্গে তৃণমূলে যোগ দিয়েছে এলাকার অন্তত ৫০০ টি পরিবার। এহেন দলবদলের পরেই বিজেপি হাতছাড়া হল গোজিনা গ্রাম পঞ্চায়েত।
আরও পড়ুন:
গত কয়েকদিন আগেই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন ময়নার বিজেপি নেতা চন্দন মণ্ডল। এবার স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের হাত ধরে তৃণমূলে যোগ দিলেন তাঁর স্ত্রী খুকুরানি মণ্ডল এবং স্থানীয় গোজিনা গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যা কাকলী চৌধুরী। একইসঙ্গে তৃণমূলে যোগ দিয়েছে এলাকার অন্তত ৫০০ টি পরিবার।
তথ্য বলছে, গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে এই পঞ্চায়েতে বিজেপির সদস্য সংখ্যা ছিল ১০ এবং তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য ছিল ৭। বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করার পর বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্য সংখ্যা কমে হল ৮ জন। অন্যদিকে ওই পঞ্চায়েতে তৃণমূলের সদস্য সংখ্যা বেড়ে হল ৯। তবে আগামী নির্বাচনে এর কোনও প্রভাব পড়বে না বলেই দাবি স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের। অন্যদিকে এহেন দলবদলের পরেই স্থানীয় তৃণমূলের দাবি, বিজেপির ধস শুরু হয়ে গেছে। আগামী নির্বাচনে এর প্রভাব ভালোভাবে বুঝবে। এমনকী অধিকার গড় বলে যে কিছু নেই তা ফের প্রমাণিত হল বলেও দাবি স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
