আশিস মণ্ডল, সিউড়ি: দল অনির্দিষ্টকালের জন্য বহিষ্কার করেছে দলীয় কাউন্সিলারকে। কিন্তু বীরভূমের (Birbhum) রামপুরহাট থানার পুলিশ (Rampurhat Police) তাকে এখনও পর্যন্ত গ্রেপ্তার করছে না। তাই ধর্ষণে অভিযুক্ত কাউন্সিলারকে গ্রেপ্তারের দাবিতে জেলা পুলিশ সুপারের সঙ্গে দেখা করলেন নির্যাতিতা। তাঁর দাবি, রামপুরহাট শহরে ঘোরাঘুরি করলেও পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করছে না।
প্রসঙ্গত, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক তরুণীর সঙ্গে কয়েক বছর ধরে সহবাস করার অভিযোগ ওঠে বীরভূমের রামপুরহাট পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার প্রিয়নাথ সাউয়ের বিরুদ্ধে। তরুণীর অভিযোগ, তাঁদের মেলামেশার ফলে এক সন্তানের জন্ম হয়। কিন্তু তারপর থেকেই অভিযুক্ত বিয়ে না করে প্রাণে মারার হুমকি দেয়। বাধ্য হয়ে ২৯ অক্টোবর রামপুরহাট থানায় এফআইআর করেন ওই তরুণী। ১১ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনও গ্রেপ্তার হয়নি অভিযুক্ত। তাই সোমবার সরাসরি জেলা পুলিশ সুপারের সঙ্গে দেখা করে অভিযোগ জানিয়ে আসেন তরুণী। জেলা পুলিশ সুপারের সঙ্গে দেখা করার পর তরুণী বলেন, ‘আমি অভিযোগ জানিয়েছিলাম। অভিযুক্ত প্রিয়নাথ সাউ প্রভাবশালী কাউন্সিলার হওয়ায় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করছে না। অথচ রামপুরহাট শহরে সবসময় ঘুরে বেড়াচ্ছে সে। প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। হুমকির অভিযোগ থানায় লিখিত আকারে জমা দিয়েছি। কিন্তু তারপরও অধরা কাউন্সিলার। পুলিশ আমাকে কোনোরকম সহযোগিতা করছে না।’
এনিয়ে ডেপুটি স্পিকার রামপুরহাটের বিধায়ক আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘আমরা ওকে বহিষ্কার করেছি। এখন পুলিশের কাজ। পুলিশ কি করবে সেটা আমরা বলতে পারব না।’ তবে এনিয়ে মুখ খুলতে চাননি পুলিশ সুপার আমনদীপ।
