Bardhaman | ‘১ কোটি ফলস ভোটারের সাহায্যেই মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন’, বর্ধমানের সভা থেকে মমতাকে তীব্র আক্রমণ দিলীপ ঘোষের

Bardhaman | ‘১ কোটি ফলস ভোটারের সাহায্যেই মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন’, বর্ধমানের সভা থেকে মমতাকে তীব্র আক্রমণ দিলীপ ঘোষের

শিক্ষা
Spread the love


প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়,বর্ধমান: রাজ্যে নির্বাচন কমিশনের তৎপরতা এবং ধরনা রাজনীতি নিয়ে তুঙ্গে শাসক-বিরোধী তরজা। সোমবার পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে বিজেপির ‘পরিবর্তন যাত্রা’র সভা থেকে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। তিনি দাবি করেন, রাজ্যে এক কোটিরও বেশি ‘ফলস ভোটার’ রয়েছে, যাদের সাহায্যেই তৃণমূল ক্ষমতায় টিকে আছে।

অনুপ্রবেশকারী ও ‘ফলস ভোটার’ ইস্যু
দিলীপ ঘোষ এদিন সরাসরি অনুপ্রবেশের প্রসঙ্গ তুলে এনে বলেন, “বাংলাদেশ থেকে রোহিঙ্গারা এসে ১০০ দিনের কাজের টাকা নিচ্ছে, লোন নিয়ে টোটো-অটো চালাচ্ছে। সরকারি জমি দখল করে বস্তি বানাচ্ছে তারাই। এই অনুপ্রবেশকারীরাই ভোটার সেজে ভোট দিয়ে দিদিমণিকে জেতাচ্ছে।”

কমিশনের প্রশংসা করে তিনি আরও বলেন, “এক কোটির বেশি ফলস ভোটারের ভোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তিনবার মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। এবার নির্বাচন কমিশন হাওয়া দিয়ে ধানের আগরির মতো সেই ফলস ভোটারদের উড়িয়ে দিয়েছে। এক কোটি ভোট মাইনাস হলেই দোকান বন্ধ হয়ে যাবে, তাই উনি আগে থেকে ধর্মতলায় ধরনায় বসে পড়েছেন।”

রান্না ও ধরনা নিয়ে কটাক্ষ
এদিন মঞ্চে বিজেপি নেত্রী ভারতী ঘোষকে পাশে নিয়ে দিলীপ ঘোষ ধর্মতলার প্রতিবাদকেও উপহাস করেন। তাঁর কথায়, “কাল তো দেখেছেন, ধর্মতলায় বিনা চাল-ডাল-আলু আর আগুন ছাড়া খিচুড়ি পাকাচ্ছিলেন। সব জায়গায় খিচুড়ি পাকানো ওঁর অভ্যাস। মে মাসের পর তো আবার কালীঘাটেই খিচুড়ি রাঁধতে হবে, কাল হয়তো তারই প্র্যাকটিস করছিলেন।”

বিজেপির ‘পরিবর্তন যাত্রা’ কেন, তার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে দিলীপ ঘোষ রাজ্যের কর্মসংস্থান ও প্রাকৃতিক সম্পদ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন:
• কর্মসংস্থান: “আমরা চাই বাংলার ছেলেমেয়েরা গুজরাট বা মহারাষ্ট্রে না গিয়ে এখানেই চাকরি ও ব্যবসা করুক।”
• সম্পদ রক্ষা: “নদীর বালি, জঙ্গলের কাঠ আর খনির কয়লা চুরি বন্ধ করতেই আমাদের এই লড়াই।”
• দুর্নীতি রোধ: রেশন, মিড-ডে মিল, আবাস যোজনা ও শৌচালয়ের টাকা চুরি রোখাই বিজেপির লক্ষ্য বলে তিনি দাবি করেন।

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ও যুবসাথী নিয়ে পরামর্শ
রাজ্য সরকারের জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলো নিয়েও কটাক্ষ করেন দিলীপ। কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতা (DA) না দিয়ে এই প্রকল্পগুলো চালানো হচ্ছে বলে তাঁর অভিযোগ। তবে সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে তাঁর পরামর্শ, “মা-বোনেদের বলব, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা নিয়ে নিন। যুবকদের বলব, ভাতার টাকাও নিয়ে নিন। কিন্তু ভোটটা বিজেপিকেই দিন।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *