Ayatollah Khamenei :মার্কিন ইজরায়েল হামলায় নিহত খামেনেই! নিশ্চিত করল ইরান

Ayatollah Khamenei :মার্কিন ইজরায়েল হামলায় নিহত খামেনেই! নিশ্চিত করল ইরান

ভিডিও/VIDEO
Spread the love


উত্তর বঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক : মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের যৌথ সামরিক হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেই (Ayatollah Khamenei) নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক বার্তায় তিনি এই চাঞ্চল্যকর দাবি করেন। এই খবর মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে এক বড় ধরনের আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

​ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর পোস্টে খামেনেইয়ের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে বলেন, “ইতিহাসের অন্যতম নিষ্ঠুর ব্যক্তি খামেনি মারা গেছেন।” ট্রাম্প দাবি করেন যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক ট্র্যাকিং সিস্টেম ও গোয়েন্দা নজরদারি এড়াতে খামেনি ব্যর্থ হয়েছেন এবং ইসরায়েলের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে এই অভিযান সফল করা হয়েছে।

তিনি এই ঘটনাকে ইরান এবং সারা বিশ্বের জন্য “ন্যায়বিচার” বলে আখ্যায়িত করেন। ট্রাম্প বলেন, “এটি ইরানি জনগণের জন্য তাদের দেশ নিজেদের হাতে ফিরিয়ে নেওয়ার সবচেয়ে বড় সুযোগ।”
তবে লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত ইরানে “ভারী ও সুনির্দিষ্ট বোমাবর্ষণ” অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।

​মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী ইরানের সামরিক ও সরকারি স্থাপনা লক্ষ্য করে গতকাল থেকেই এক নজিরবিহীন বিমান হামলা শুরু করে। গতকাল রাতেই ইসরায়েলি সূত্রগুলোও নিশ্চিত করেছে যে, তেহরানে খামেনেইর বাসভবনের কাছে চালানো এই হামলায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইঙ্গিত দেন যে, এই “স্বৈরশাসক” আর বেঁচে নেই এবং ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের কাছে তাঁর মৃত্যুর সচিত্র প্রমাণ রয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।

​খামেনেইর মৃত্যুর বিষয়ে তেহরানের পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ বা বিবৃতি পাওয়া যায়নি। তবে ইরানের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি বেশ উদ্বেগজনক।

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম নিশ্চিত করেছে যে, মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় খামেনেইর মেয়ে, নাতি, পুত্রবধূ এবং জামাতা নিহত হয়েছেন।
​কিন্তু হামলার পর থেকে খামেনিকে জনসমক্ষে বা কোনো ভিডিও বার্তায় দেখা যায়নি।

ইতিমধ্যে ইরানের আকাশসীমা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়েছে।

​১৯৮৯ সাল থেকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার পদে থাকা ৮৬ বছর বয়সী আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেইর মৃত্যু যদি নিশ্চিত হয়, তবে তা ইরানের জন্য একটি ঐতিহাসিক পালাবদল হবে।
​কিন্তু তাঁর কোনো সুস্পষ্ট ও সর্বসম্মত উত্তরসূরি না থাকায়, ক্ষমতার বিশাল শূন্যতা তৈরি হবে। মধ্যপ্রাচ্যে ইতিমধ্যেই চলমান উত্তেজনার মধ্যে এই ঘটনা পুরো অঞ্চলের পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল এবং সংঘাতময় করে তুলতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *