সায়ন দে, আলিপুরদুয়ার: সবে চারদিন হল শুরু হয়েছে আলিপুরদুয়ার দুর্গাবাড়ির রাসমেলা (Alipurduar)। আর ওই মেলাই এখন হয়ে উঠেছে শহরের খুদেদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। খেলনা কিনে নগরদোলা, ট্র্যামপোলিন চড়ে রাসমেলা ঘুরে প্রতিদিন বাড়ি ফিরছে খুদেরা। একদিনে মন ভরছে না কারও। তাই কেউ কেউ বাবা-মায়ের কাছে জেদ ধরে বারবার মেলায় আসছে।
তাই সন্ধ্যা থেকেই ভিড় জমে যায় মেলায়। বেলুন, বল ইত্যাদি কেনা তো চলছেই। সেই পর্ব শেষে বিভিন্ন রাইডের দাবি পূরণ করতে হচ্ছে অভিভাবকদের। এদিন অক্ষিত ঘোষ মেলায় এসে বেজায় খুশি। কেননা মেলায় যে এবার নতুন কার রাইড এসেছে। তাই প্রথমবার গাড়ি চালাবে বলে বাবার কাছে আবদার তার। বাবাও ছেলের কথা ফেরাননি। তাকে কার রাইড করালেন।
মন্দিরের ভেতর রাধাকৃষ্ণের লীলার পাশাপাশি পূতনা রাক্ষসী এমনকি মন্দিরের নাটমঞ্চে প্রতিদিনই হচ্ছে বিভিন্ন শিল্পীর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সেইসঙ্গে হাটখোলায় চলছে জমজমাট রাসমেলা। চলবে ১৫ দিন ধরে। আর ওই মেলায় বিভিন্ন খাবারের দোকানের পাশাপাশি রয়েছে ছোটদের খেলনা সহ বিভিন্ন রাইড। আর এসবের টানেই সেখানে খুদেরা ভিড় জমাচ্ছে। কী নেই সেখানে? ট্র্যামপোলিন, নাগরদোলা, কার রাইড, এরোপ্লেন রাইড আরও কত কী।
ওই মেলায় নাগরদোলা, ট্র্যামপোলিন রাইড নিয়ে এসেছেন রতন সাহা। তাঁর কথায়, ‘ছোটদের বিভিন্ন রাইড রয়েছে ৩০ টাকা থেকে ৫০ টাকার মধ্যে। টুকটাক ভিড় হচ্ছে। আগামীতে আরও ভিড় বাড়বে বলে মনে করি।’
এদিন বীরপাড়ার বাসিন্দা সৌমিক সরকার তাঁর ছোট মেয়েকে মেলায় শুধু এরোপ্লেন রাইড করাতে নিয়ে এসেছিলেন। তিনি বলেন, ‘বাড়ি সামনে থাকায় আগে দু’দিন এসেছি। তবে মেয়ের আবদার সে আজও এরোপ্লেন রাইড করবে, তাই হাতে সময় না থাকায় শুধু এই রাইড করাতেই মেলায় ওকে নিয়ে এসেছি।’
তবে শুধু রাইড নয়, খেলনা গাড়ি, পাম্প বল, খেলনাবাটি কিনতেও দোকানে ভিড় জমছে।
