AAP chief homicide case | আপ নেতা খুনের বদলা, অমৃতসরে পুলিশের এনকাউন্টারে খতম মূলচক্রী গ্যাংস্টার

AAP chief homicide case | আপ নেতা খুনের বদলা, অমৃতসরে পুলিশের এনকাউন্টারে খতম মূলচক্রী গ্যাংস্টার

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: পঞ্জাবের তরণ তারণ জেলায় আম আদমি পার্টি (আপ) নেতা তথা পঞ্চায়েত প্রধান জরনৈল সিংকে (AAP chief homicide case) জনসমক্ষে খুনের ঘটনায় বড়সড়ো সাফল্য পেল পুলিশ। মঙ্গলবার এক টানটান এনকাউন্টারে খতম করা হলো এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী গ্যাংস্টার হারনুর সিংকে। পুলিশের দাবি, হারনুরের নির্দেশেই গত রবিবার ভরা বিয়েবাড়িতে গুলি চালানো হয়েছিল।

পুলিশ সূত্রে খবর, মঙ্গলবার গোপন সূত্রে খবর আসে যে তরণ তারণ জেলার ভিখিউইন্ড থানা এলাকায় আত্মগোপন করে আছে হারনুর। খবর পাওয়ামাত্রই পঞ্জাব পুলিশ (Punjab Police) এবং অ্যান্টি-গ্যাংস্টার টাস্ক ফোর্স (AGTF) যৌথ অভিযানে নামে। পুলিশ যখন তাকে চারপাশ থেকে ঘিরে ফেলে, তখন বাইক নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে ওই গ্যাংস্টার। একটি সিগন্যালে আটকা পড়তেই সে পুলিশকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে।

পাল্টা জবাব দেয় পুলিশ বাহিনীও। দু’পক্ষের গুলির লড়াইয়ে গুরুতর জখম হয় হারনুর। তাকে দ্রুত উদ্ধার করে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ডিআইজি স্নেহ দ্বীপ শর্মা জানান, “অভিযুক্তকে আত্মসমর্পণ করতে বলা হলেও সে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। একটি গুলি এক পুলিশকর্মীর জ্যাকেটে লাগলেও তিনি অল্পের জন্য রক্ষা পান। আত্মরক্ষার্থেই পুলিশ গুলি চালায়।”

উল্লেখ্য, গত রবিবার ভলতোহা এলাকার পঞ্চায়েত প্রধান জরনৈল সিং একটি বিয়েবাড়িতে আমন্ত্রিত ছিলেন। অনুষ্ঠান চলাকালীন দুই দুষ্কৃতী বাইকে করে এসে তাঁকে লক্ষ্য করে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি চালায়। জনসমক্ষেই রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়েন আপ নেতা। হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়। এই ঘটনায় পাঞ্জাবের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল বিরোধী দলগুলো। ঘটনার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই মূল অভিযুক্তকে খতম করে কড়া বার্তা দিল পঞ্জাব পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ব্যক্তিগত শত্রুতা অথবা এলাকা দখলের লড়াই থেকেই এই খুনের পরিকল্পনা করেছিল হারনুর। বর্তমানে তার সহযোগীদের খোঁজে তল্লাশি জারি রেখেছে পুলিশ।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *