‘২-৩ বছর এত ভালো খেলিনি’, সিরিজ সেরা হয়ে ‘চাপমুক্ত’ বিরাট, গলা ফাটালেন রোহিতের হয়েও

‘২-৩ বছর এত ভালো খেলিনি’, সিরিজ সেরা হয়ে ‘চাপমুক্ত’ বিরাট, গলা ফাটালেন রোহিতের হয়েও

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সিডনিতে ফর্মে ফেরার ইঙ্গিতটা দিয়ে রেখেছিলেন ‘রান মেশিন’ বিরাট। আর দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজটা তাঁর কাছে অন্যরকম মাহাত্ম্য নিয়ে এল। তিনটি ওয়ানডে’তে দু’টি সেঞ্চুরি ও একটি হাফসেঞ্চুরি করে সিরিজের সেরার পুরস্কার পেয়েছেন বিরাট কোহলি। পুরস্কার নিতে এসে জানালেন, এখন অনেকটাই চাপমুক্ত তিনি।

সিরিজ সেরার পুরস্কার পেয়ে বিরাট বলেন, “এই সিরিজে যেভাবে মুক্ত মনে খেলেছি, তাতে তৃপ্তি পেয়েছি। এখন আমি অনেকটাই চাপমুক্ত। সব কিছু ঠিকঠাক এগিয়েছে। চেষ্টা করেছি নিজের মান বজায় রাখার। ম্যাচেও প্রভাব ফেলার চেষ্টা করেছি। আমি দীর্ঘক্ষণ ব্যাট করতে পারি। পরিস্থিতি অনুযায়ী খেলতে পারি। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে সন্দেহ হয়। নার্ভাস লাগে। ব্যাটিংয়ে একটি ভুলের জন্য আপনাকে মূল্য চোকাতে হতে পারে।”সিরিজ সেরার পুরস্কার পেয়ে বিরাট বলেন, “এই সিরিজে যেভাবে মুক্ত মনে ব্যাট করতে পেরেছি, তাতে তৃপ্ত। এখন আমি অনেকটাই চাপমুক্ত। সব কিছু ঠিকঠাক এগিয়েছে। চেষ্টা করেছি ছাপ রেখে যাওয়ার। পরিস্থিতি অনুযায়ী আমি দীর্ঘক্ষণ ব্যাট করতে পারি। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে চূড়ান্ত দ্বিধার মধ্যে এগিয়ে যেতে হয়। তখনই নিজের উপর সন্দেহ হয়। নার্ভাস লাগে। বিশেষ করে ব্যাটিংয়ে একটি ভুলের জন্য আপনাকে মূল্য চোকাতে হতে পারে।”

তাঁর সংযোজন, “এই অভিজ্ঞতাই বিরাটের জীবনের মূল্যবান সম্পদ। যা তিনি অর্জন করেছেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৮৪ সেঞ্চুরির মালিকের কথায়, “জীবনে এগিয়ে যেতে যেতে এই অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হয়। যা আপনাকে আরও ভালো মানুষ হয়ে উঠতে সাহায্য করে। আমি নেতিবাচক চিন্তাভাবনা খুব সহজেই বুঝে উঠতে পারি। সেই সময় তা ঠিক করে উঠতে চেষ্টা করি। আজও ভারতকে জেতানোর ক্ষমতা আছে ভেবে ভালো লাগে। দলে অবদান রাখতে পেরে খুব খুশি। দু-তিন বছর এত ভালো ব্যাট করিনি। রাঁচির ইনিংসটি আমার নজরে সেরা।এই সিরিজ সেরা খেলাটা বের করে এনেছে। অস্ট্রেলিয়ার পর থেকে আর খেলিনি। আমি ও রোহিত সব সময় ছাপ রেখে যেতে চাই। এতদিন তো সেটাই করে এসেছি। দলের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে চলেছি। এটা ভেবে খুশি যে, রোহিত এবং আমি এখনও দলকে সাহায্য করছি।”

এই সিরিজে রোহিত শর্মার রেকর্ড ভেঙেছেন কোহলি। চলতি বছর ১৩ ইনিংসে মোট ৬৫১ রান করেছেন। যা একই ক্যালেন্ডার বছরে সর্বাধিক রানের নজির। ১৪ ইনিংসে ৬৫০ রান করে দু’নম্বরে হিটম্যান। অন্যদিকে, রাঁচিতে ১৩৫, রায়পুরে ১০২, বিশাখাপত্তনমে অপরাজিত ৬৫ রানের সৌজন্যে প্রোটিয়াদের বিরুদ্ধে তিনটি ওয়ানডেতে তাঁর রান ৩০২। গড় ১০০-র উপরে। তৃতীয় ওয়ানডেতে যে ছন্দে ব্যাট করছিলেন, তাতে বিশেষজ্ঞ মহল মনে করছে, টেম্বা বাভুমার দল আরেকটু বেশি রান করলে সেঞ্চুরির হ্যাটট্রিক করতেন কিং। টেস্ট সিরিজে গম্ভীর বাহিনী চুনকাম হওয়ার পর কোণঠাসা অবস্থা তৈরি হয়েছিল ভারতীয় দলে। সেখান থেকে রো-কো’কে ঘিরে স্বপ্ন দেখা শুরু করেছিল টিম ইন্ডিয়া। দুই মহারথীই ‘ম্যাজিকে’ই ওয়ানডে সিরিজ জিতল মেন ইন ব্লু। নতুন বছরের ১১ জানুয়ারি নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে শুরু তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। অর্থাৎ মাস খানেক পর আবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরবেন রো-কো। 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *