খ্যাতনামা পরিচালক এমএম বেগের রহস্যমৃত্যুতে তোলপাড় বলিউড! নিজস্ব বাসভবন থেকে উদ্ধার বেগের পচা-গলা দেহ। খবর প্রকাশ্যে আসতেই, মায়ানগরীর সেলেব পাড়ায় উদ্বেগ। শুক্রবার সংবাদসংস্থা পিটিআই-এর কাছে এমএম বেগের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তাঁর ঘনিষ্ঠ সহকর্মী হানি জাভেরি।
আরও পড়ুন:
জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে বাড়িতে একাই থাকতেন এমএম বেগ। সাম্প্রতিককালে তাঁর শরীরও ভালো যাচ্ছিল না। হানি জাভেরি জানান, বেশ কয়েক দিন তাঁকে বাড়ির বাইরেও দেখতে পাওয়া যায়নি। প্রতিবেশীরাও উদ্বিগ্ন হয়ে বিষয়টি আবাসন কর্তপক্ষকে জানিয়েছিলেন। কিন্তু এর মাঝেই বেগের বাড়ি থেকে দুর্গন্ধ পাওয়ায় পুলিশের দ্বারস্থ হন তাঁরা। ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ দরজা ভাঙতেই উদ্ধার হয় খ্যাতনামা পরিচালকের পচাগলা দেহ।
“পুলিশ দরজা খুলে বেগ সাহেবের পচাগলা দেহ উদ্ধার করে এবং তাঁর মেয়েকে খবর দেয়। পরে রাত দেড়টা থেকে দুটো নাগাদ তার মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুপার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।”
পিটিআই-এর কাছে হানি জাভেরি জানান, “বেশ কিছুদিন ধরেই শারীরিক অসুস্থায় ভুগছিলেন পরিচালক। যেহেতু চার-পাঁচ দিন ধরে ঘর থেকে বের হননি, তাই প্রতিবেশীরা তার বাড়ি থেকে দুর্গন্ধ পেয়েই পুলিশের দ্বারস্থ হন। পুলিশ দরজা খুলে বেগ সাহেবের পচাগলা দেহ উদ্ধার করে এবং তাঁর মেয়েকে খবর দেয়। পরে রাত দেড়টা থেকে দুটো নাগাদ তার মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুপার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তিনি দারুণ একজন মানুষ ছিলেন। ওঁর বিদেহী আত্মার জন্য প্রার্থনা করছি।”
আরও পড়ুন:
বলিউডে সহকারী পরিচালক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেছিলেন বেগ। ‘কহো না প্যায়ার হ্যায়’ সিনেমার প্রাক্কালে হৃতিক রোশনকে সংলাপ বলাও শেখান এই পরিচালকই। জানা যায়, অভিনেতা হিসেবে বলিউডে নাম লেখানোর আগে এই পরিচালকের কাছে ‘ভয়েস ট্রেনিং’ও নিয়েছিলেন হৃতিক। এছাড়াও রোশন পরিবারের সঙ্গে তাঁর দারুণ সম্পর্ক। জে ওম প্রকাশ, বিমল কুমার এবং রাকেশ রোশনের সাথেও বহু কাজ করেছেন। ‘আদমি খিলোনা হ্যায়’ (১৯৯৩), ‘জয়সি করনি ওয়াইসি ভরনি’ (১৯৮৯), ‘করজ চুকানা হ্যায়’ (১৯৯১), ‘কালা বাজার’ (১৯৮৯), এবং ‘কিষেন কানহাইয়া’র (১৯৯০) মতো বহু সিনেমায় কাজ করেছেন। নাসিরুদ্দিন শাহকে নিয়ে ‘মাসুম গাওয়াহ’ নামে একটি ছবিও পরিচালনা করেন।
সর্বশেষ খবর
