হাইভোল্টেজ নন্দীগ্রামে ভূমিপুত্রেই আস্থা, শুভেন্দু-গড় দখলে তৃণমূলের প্রার্থী কে?

হাইভোল্টেজ নন্দীগ্রামে ভূমিপুত্রেই আস্থা, শুভেন্দু-গড় দখলে তৃণমূলের প্রার্থী কে?

স্বাস্থ্য/HEALTH
Spread the love


যুদ্ধক্ষেত্র যত বড়ই হোক, তার একটা নির্দিষ্ট কেন্দ্র থাকেই। বর্তমান বঙ্গ রাজনীতির বৃহৎ আঙিনায় সেই কেন্দ্র নিঃসন্দেহে নন্দীগ্রাম। শাসকের ‘লাল সন্ত্রাস’ থেকে শুরু করে ৩৪ বছরের বামদুর্গ ভেঙে চুরমার করে দেওয়া থেকে সাম্প্রতিককালে রাজনীতির রং বদল, সবদিক থেকে নন্দীগ্রামের গুরুত্ব ঢের। এই নন্দীগ্রাম একুশে ধুন্ধুমার ভোটযুদ্ধের সাক্ষী। খোদ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখানকার তৃণমূল প্রার্থী ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে লড়েছিলেন বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। ভোটের ফলাফল সবার জানা। যদিও একুশের এই ফল নিয়ে মামলা এখনও হাই কোর্টে বিচারাধীন। তবে ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে এখানে ভিন্ন কৌশল নিচ্ছে শাসক শিবির। সূত্রের খবর, সেই নীতি ‘কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলা’র। শুভেন্দু অধিকারীকে ধরাশায়ী করতে শাসকের হাতিয়ার ভূমিপুত্র। একদা শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ নেতা, নন্দীগ্রামের বয়ালের বাসিন্দা পবিত্র করকে এবার নন্দীগ্রামের প্রার্থী করতে চলেছে ঘাসফুল শিবির।

এই বিষয়ে আরও খবর

বয়াল ২ নং গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান পবিত্র করের স্ত্রী। তিনি নিজে উপপ্রধান। স্থানীয় রাজনৈতিক মহল সূত্রে খবর, নন্দীগ্রামে যতটা হিন্দুত্ব প্রদর্শন করেন শুভেন্দু, পালটা ততটাই করেন পবিত্র।

নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর যতটা রাজনৈতিক জমি, পবিত্র করের তার তুলনায় খুব একটা কম নয়। তিনি বরাবর শুভেন্দুর সুহৃদ হিসেবে পরিচিত। একুশের ভোটে শুভেন্দু অধিকারীর অনুগামী হিসেবে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন পবিত্রবাবু। কিন্তু বছর খানেক পর মোহভঙ্গ হয়। রাজনীতি থেকে নিষ্ক্রিয় হয়ে যান তিনি। দু’জনের রাজনৈতিক পথ আলাদা হয়ে যায়। বয়াল ২ নং গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান পবিত্র করের স্ত্রী। তিনি নিজে উপপ্রধান। স্থানীয় রাজনৈতিক মহল সূত্রে খবর, নন্দীগ্রামে যতটা হিন্দুত্ব প্রদর্শন করেন শুভেন্দু, পালটা ততটাই করেন পবিত্র। রামনবমীর মতো উৎসব বেশ সমারোহ করেই পালন করা হয় তাঁর আয়োজনে।

পবিত্র কর নন্দীগ্রামের সম্ভাব্য তৃণমূল প্রার্থী।

একুশের নির্বাচনে বয়াল ২ ব্লকে তৃণমূল বেশ খানিকটা ভোটে পিছিয়ে ছিল। সেই ফাঁক পূরণ করতে বেশ তৎপর তিনি। শোনা যায়, এখনও শুভেন্দুর সঙ্গে ব্যক্তিগত স্তরে ভালো যোগাযোগ রয়েছে। দিন কয়েক আগেও বিরোধী দলনেতার সঙ্গে তাঁকে দেখা গিয়েছিল। তবে কোনও রাজনৈতিক রং ছিল না তাতে। আর সেখানেই ধোঁয়াশা বেড়েছিল। তবে পবিত্র কার? বিজেপি নাকি তৃণমূলের? স্থানীয় সূত্রে খবর, পদ্ম ছেড়ে ঘাসফুল শিবিরে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও যোগ না দিলেও দলের একসময়ের পুরনো কর্মীর উপর ভরসা রাখছে শীর্ষ নেতৃত্ব। আজ-কালের মধ্যেই পবিত্র করকে নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। হিসেব ঠিক থাকলে ছাব্বিশের রণাঙ্গনে নন্দীগ্রামের ভূমিপুত্রই তুরুপের তাস হতে চলেছে শাসক শিবিরে।

এই বিষয়ে আরও খবর

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *