সঞ্জু-ঝড় জারি রইল ওয়াংখেড়েতেও। কলকাতায় যেখানে শেষ করেছিলেন, ঠিক সেখান থেকেই মুম্বইয়ে শুরু করেছিলেন ভারতীয় দলের উইকেটরক্ষক-ব্যাটার। ৪২ বলে তাঁর ৮৯ রানের ইনিংসটাই দুই দলের মধ্যে পার্থক্য গড়ে দেয়। এমন ‘গ্র্যান্ড শো’-এর পর ম্যাচের সেরাও হয়েছেন। তবে ম্যাচ জয়ের কৃতিত্ব নিজের কাঁধে না নিয়ে জশপ্রীত বুমরাহকে দিলেন সঞ্জু স্যামসন। তাছাড়াও মুখ খুললেন অধরা সেঞ্চুরি নিয়েও।
এই বিষয়ে আরও খবর
ম্যাচের পর সঞ্জু বলেন, “পুরো কৃতিত্ব বুমরাহের। ও যেভাবে বোলিং করল, তা সত্যিই অসাধারণ। কোনও তুলনা হয় না ওর। এমন বোলার তো লাখে একজন হয়। আমি মনে করি, ম্যাচসেরার মেডেল ওরই পাওয়া উচিত ছিল। আড়াইশোর বেশি রান করেও চাপে পড়ে গিয়েছিলাম। হেরেও যেতে পারতাম। ওর ওই চারটে ওভারই ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দিল। নাহলে তো হেরে যেতাম।”
সেমিফাইনালে চার ওভারে ৩৩ রান দিয়ে ১ উইকেট নিয়েছেন বুমরাহ। সেই সময় ভয় ধরানো ব্যাটিং করছিলেন বেথেল। কঠিন সময়ে মাথা ঠান্ডা রেখে স্মরণীয় সেঞ্চুরি হাঁকান তিনি। তবে ১৭তম ওভারে বল করতে এসে মাত্র ৬ রান দেন বুমরাহ। ওই ওভারটাই ম্যাচের অন্যতম টার্নিং পয়েন্ট। সেই কারণেই জয়ের কৃতিত্ব টিম ইন্ডিয়ার ‘বোলিং ফিগারহেড’-কে দিতে কার্পণ্য করলেন না সঞ্জু।
এই বিষয়ে আরও খবর
তাঁর সংযোজন, “গত ম্যাচ থেকে ফর্ম ফিরে পেয়েছি। এই ম্যাচেও যা বজায় রাখার চেষ্টা করেছি। ওয়াংখেড়েতে বড় রান তাড়া করেও জেতা যায়। ইংল্যান্ড প্রায় জিতেই যাচ্ছিল। তাই হয়তো বড় ম্যাচে বড় রান করতেই হত। সবচেয়ে আনন্দের আমরা শেষ পর্যন্ত জিতেছি।” অধরা সেঞ্চুরি নিয়ে বললেন, “ওসব নিয়ে ভাবিনি। এখানকার পিচে প্রচুর রান হয়। যতটা বেশি রান তোলা যায়, সে কথাই ভাবছিলাম। টেস্ট কিংবা ওয়ানডেতে অনেক সময় পাওয়া যায়। কিন্তু টি-টোয়েন্টিতে সেটা সম্ভব নয়। ব্যক্তিগত মাইলফলকের কথা কখনও চিন্তা করি না। দলের জন্যই খেলি। দলকে জিতিয়ে ভালো লাগছে।” বলে দিলেন সঞ্জু।
সর্বশেষ খবর
