‘সিনেমা দেখতে ভালোবাসি, অভিনয় করব না’, রাজের ‘লক্ষ্মী এলো ঘরে’ দেখে অভিভূত অভিষেক

‘সিনেমা দেখতে ভালোবাসি, অভিনয় করব না’, রাজের ‘লক্ষ্মী এলো ঘরে’ দেখে অভিভূত অভিষেক

সিনেমা/বিনোদন/থিয়েটার
Spread the love


রাজ‌্য সরকারের ১৫ বছরের উন্নয়নের রিপোর্ট নিয়ে ঘরে ঘরে চলছে তৃণমূলের প্রচার। এবার স্বল্পদৈর্ঘ্যের তথ‌্যমূলক চলচ্চিত্র তৈরি করে তা রিলিজ করা হচ্ছে। বুধবার ‘লক্ষ্মী এলো ঘরে’ নামে সেই সিনেমার প্রিমিয়ারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি দেখে অভিভূত তিনি। জানালেন, সিনেমা দেখতে তিনি ভালোবাসেন। তবে হাসিমুখে সাফ জানান, নিজে কোনওদিন অভিনয় তিনি করবেন না।

আরও পড়ুন:

অভিষেক আরও জানান, “সরকার জনসেবায় এবং জীবনের মান উন্নয়নে গত ১৫ বছরে ৯৫ থেকে ৯৭টি প্রকল্প তৈরি করেছে। কিন্তু কী কী কাজ করেছে তার কোনও ডকুমেন্টেশন এতদিন ছিল না। সেই কাজটাই হল। ‘উন্নয়নের পাঁচালি’র পাশাপাশি গ্রামে গ্রামে মানুষের সামনে এই ছবি দেখানো হবে।” চমকে দেওয়ার মতো তথ‌্য হল ছবির স্ক্রিপ্ট নিজে দেখে তাতে দরকারি পরামর্শ দিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। অভিনয় থেকে নির্মাণপর্বের সবটুকু হয়েছে গত ১৫ দিনে। ছবি কেমন হয়েছে, শো শেষে তা নিয়ে নিজে ফিডব‌্যাক নিয়েছেন সাংসদ। বারবার জানতে চেয়েছেন, “মন থেকে বলছেন তো? সত্যি ভালো লেগেছে? মুখ‌্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ‌্যায়ের এত কাজ, এক জায়গায় করে দেখানোটা সত্যিই কঠিন। তবু একটা চেষ্টা হল।”

Abhishek Banerjee praises Raj Chakraborty's Laxmi Elo Ghore short film
‘লক্ষ্মী এলো ঘরে’ ছবির প্রিমিয়ারে রাজ ও শুভশ্রীর সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজস্ব চিত্র

৫৫ মিনিটের এই ছবির পরিচালক দলেরই বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী। মূল চরিত্রে তাঁর স্ত্রী অভিনেত্রী শুভশ্রী আর সরকারের এজেন্ট হিসাবে প্রতিটি প্রকল্পের কথা নিজের অভিনয়ের মধ্যে তুলে ধরেছেন অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরা। অভিনয়ে চমকে দিয়েছেন সোহিনী সেনগুপ্ত। উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের রাজ‌্য সভাপতি সুব্রত বক্সি থেকে প্রায় প্রত্যেক সাংসদ, বহু মন্ত্রী ও বিধায়ক। ছবিতে দেখানো হয়েছে, দুস্থ এবং চাহিদাসম্পন্ন একটি পরিবারের দুর্দশা আর সেখানে কেন্দ্র সরকারের বঞ্চনার ছবি ও আতঙ্ক। আর একের পর এক প্রকল্প কীভাবে সেই দুর্দশাগ্রস্ত পরিবারের জীবন পালটে দিচ্ছে তার জ্বলন্ত প্রতিচ্ছবি। শুভশ্রীর ‘লক্ষ্মী’ নামে প্রতীকী চরিত্রের হাত ধরে সরকারি প্রকল্পের সুফল বাংলার ঘরে ঘরে কীভাবে পৌঁছচ্ছে সে ছবি তুলে ধরা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের ‘আতঙ্কের ছায়া’ হয়ে ভিলেন চরিত্রে রয়েছেন অভিনেতা খরাজ মুখোপাধ‌্যায়। শুধু গতানুগতিক প্রচারধর্মী ছবি নয়, এই ছবিতে প্রকৃত অর্থেই বাস্তব সমস‌্যার ছবি তুলে ধরা হয়েছে।

আরও পড়ুন:

সিনেমা শেষে অভিষেক আরও বলেন, “কেন্দ্র ও রাজ‌্য সরকারের কী প্রকল্প বাংলার মানুষ অনেকে জানেই না, এটা আমি নবজোয়ার যাত্রায় গিয়ে দেখেছি। তাই এই উদ্যোগ। বাংলা কেন্দ্রের কোনও সহযোগিতা পায়নি গত ৫ বছরে। বাংলাকে এত বঞ্চনা। দিল্লির সরকার আমাদের ভাতে মারতে চেয়েছিল। কিন্তু আমাদের একটাই স্লোগান, যে আমার পাতে ভাত দেয় সে আমার মাথায় ছাদের ব্যবস্থা করবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার সেটা করে দেখিয়েছে। এখানে রাজনীতি নেই।” প্রিমিয়ারে উপস্থিত সমাজের বিশিষ্ট দর্শকদের এবং দলের প্রত্যেকের কাছে অভিষেকের আবেদন, “কেউ অন্য দলের সদস্য হতে পারেন। কিন্তু সরকার অর্থনৈতিক প্রতিকূলতার মধ্যে দিয়ে যে কাজ যে উন্নয়নের ছোঁয়া বাংলার মানুষের জীবনে এনে দিয়েছে সেটা অন্য কোনও রাজ্য়ে হয়নি। মানুষকে এগুলো বোঝান।”

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *