সম্পর্কে চড়াই-উতরাই নাপসন্দ! জটিলতা তৈরি হলেই সঙ্গীর সঙ্গে দূরত্ব বাড়ান এই ৫ রাশির জাতক

সম্পর্কে চড়াই-উতরাই নাপসন্দ! জটিলতা তৈরি হলেই সঙ্গীর সঙ্গে দূরত্ব বাড়ান এই ৫ রাশির জাতক

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রেম যেমন মধুর, তেমন চড়াই-উতরাইও থাকে। দুটো মানুষ একসঙ্গে থাকলে, ছোট-খাটো ঝামেলা খুব স্বাভাবিক, সম্পর্কের অংশই বলা যায়। তবে তা সামাল দিয়ে সুন্দরভাবে এগিয়ে চলাই আসল। যা মোটেই সহজ কাজ নয়। উলটোদিকের মানুষটার ভুল-ভ্রান্তি ক্ষমা করে এগিয়ে যেতে পারেন না অনেকেই। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে পাঁচ রাশির জাতকরা সমস্য়া দেখলেই বা অনেক তুচ্ছ কারণে হাত ছেড়ে দেন সঙ্গীর। চলুন দেখে নেওয়া তাঁরা কারা।

মিথুন- কেউ তাঁদের জীবন নিয়ন্ত্রণ করবে, তা একেবারেই মানতে পারেন না ধনু রাশির জাতকরা। অশান্তিরও প্রয়োজন নেই, সঙ্গী যদি নানারকম বিধিনিষেধে বেঁধে ফেলার চেষ্টা করে, তাহলেই মুক্তির পথ খুঁজতে শুরু করেন এরা। অশান্তি একেবারেই পছন্দ নয়। ফলে প্রেমিক বা প্রেমিকা যদি অশান্তি প্রবন হন, ছোটছোট বিষয় নিয়ে কাটাছেঁড়া করেন, তাহলে যে কোনও মূল্যে সেই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে পড়েন এই জাতকরা।

কর্কট- অত্যন্ত আবেগপ্রবণ কর্কট রাশির জাতকরা। কাউকে ভালোবাসলে কার্যত নিজের সবটুকু উজার করে দেন। সঙ্গীর মুখে হাসি দেখতে অনেকদূর পর্যন্ত যেতে পারেন। তিনি এরা একবার যদি বুঝতে পারেন যে সঙ্গীর কাছে গুরুত্ব কমেছে, তাহলে শতযোজন দূরে সরে যেতে দ্বিতীয়বার ভাবেন না এরা।

তুলা- সম্পর্কের প্রথম কিছুদিন অত্যন্ত সমধুর থাকে। তবে সময় যত এগোয়, একে অপরকে চিনতে শুরু করেন। ভুলত্রুটি দেখতে পান। যা অনেকক্ষেত্রে সম্পর্ককে তিক্ত করে তোলে। এসব মোটেই পছন্দ নয় তুলা রাশির জাতকদের। ঝামেলা থেকে দূরে থাকতে সহজেই বিচ্ছেদের পথে হাঁটেন এরা।

ধনু- স্বাধীনতা এদের জীবনের প্রথম ও প্রধান শর্ত। যেখানেই মনে হবে কেউ বেঁধে ফেলার চেষ্টা করছে, সেখানে সমস্যার শুধু। সঙ্গীর হ্যাঁ তে হ্যাঁ মেলানোর মানুষ এরা নন। ফলে সমস্যা তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। তবে এরা সমস্যা নিয়ে এগিয়ে চলার থেকে বিচ্ছেদের রাস্তা বেছে নিতেই পছন্দ করেন।

মীন- এদের একটা নিজস্ব ভাবনার জগৎ আছে। এদের চিন্তাভাবনা আর পাঁচজনের থেকে আলাদা। স্বপ্নের দুনিয়ায় বিরাজ করেন এরা। তাই প্রেম যখন বাস্তবটাকে বোঝাতে শুরু করে, তখনই সঙ্গীকে অসহ্য মনে হতে থাকে এদের কাছে। শেষপর্যন্ত দু’জনের পথ আলাদা হয়ে যায় অধিকাংশ ক্ষেত্রে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *