সপ্তমীর গভীর রাতে আবাসনে অপরিচিতদের আনাগোনা, প্রতিবাদ করতেই পুলিশের কপালে জুটল মার!

সপ্তমীর গভীর রাতে আবাসনে অপরিচিতদের আনাগোনা, প্রতিবাদ করতেই পুলিশের কপালে জুটল মার!

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


অরিজিৎ গুপ্ত, হাওড়া: সোমবার সপ্তমীর দিন গভীর রাতে বিপাকে কোলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। একটি আবাসনে অপরিচিত লোকদের থাকার প্রতিবাদ করায় জুটল মার। কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের এক সাব ইন্সপেক্টরকে লাঠি, রড, দিয়ে বেধড়ক মারধরের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে চারজনকে।

জানা গিয়েছে, হাওড়ার চ্যাটার্জিহাটে একটি আবাসনের মধ্যেই লাঠি, রড, দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের এক সাব ইন্সপেক্টরকে। মাথায় এবং শরীরের একাধিক জায়গায় গুরুতর আঘাত নিয়ে অমিত কুমার সিং নামে ওই অফিসার মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত খিদিরপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। শুধু ওই পুলিশ আধিকারিক নয়, অভিযোগ করা হয়েছে তাঁর স্ত্রীর উপরও চড়াও হয় দুষ্কৃতীরা। রীতিমতো আতঙ্কে রয়েছেন ওই পুলিশ আধিকারিকের স্ত্রী।

ঘটনাটি ঘটেছে চ্যাটার্জিহাটের শাস্ত্রী নরেন্দ্রনাথ গাঙ্গুলি রোডের একটি আবাসনে। পুলিশ এই ঘটনায় এক রেস্টুরেন্টের মালিক-সহ চার জনকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ সূত্রে খবর, ওই আবাসনের নীচের তলায় একটি ব্যাঙ্কয়েট হল এবং একটি রেস্টুরেন্ট রয়েছে। ওই রেস্টুরেন্টের মালিক মানস রায়। তিনি কিছুদিন হলো প্রায় ১০ জন যুবককে ওই আবাসনের রেস্টুরেন্টে ও ব্যাঙ্কয়েট হলে থাকতে দিয়েছিলেন।

অপরিচিত ওই যুবকদের পরিচয় জানতে চেয়েছিলেন অমিত। অপরিচিত যুবকরা কেন পরিচয়পত্র ছাড়া ওই আবাসনের ভিতরে থাকবে সেখানে এই প্রশ্ন তোলেন অমিত। প্রতিবাদ করাতেই মঙ্গলবার গভীর রাতে প্রায় ১০ জনের একটি দল এসে কলকাতা পুলিশের ওই সাব ইন্সপেক্টরের উপর চড়াও হয়। তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে জানা গিয়েছে। রেস্টুরেন্টের মালিক মানস রায়ের নেতৃত্বেই এই মারধরের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে চ্যাটার্জিহাট থানা।

এই ঘটনার খবর পেয়ে চ্যাটার্জিহাট থানার পুলিশ আসে ঘটনাস্থলে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত চার জনকেই গ্রেপ্তার করে তাঁরা। মঙ্গলবার সকালে অভিযুক্তদের হাওড়া আদালতে তোলা হয়। সম্পূর্ণ ঘটনা আবাসনের সিসিটিভিতে ধরা পড়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *