‘শাশুড়ি যেন দ্রুত মরে’, বার্তা-সহ ১০০ টাকার নোট মন্দিরের দানবাক্সে, হইচই সমাজ মাধ্যমে

‘শাশুড়ি যেন দ্রুত মরে’, বার্তা-সহ ১০০ টাকার নোট মন্দিরের দানবাক্সে, হইচই সমাজ মাধ্যমে

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


অধিকাংশ মন্দিরেই থাকে প্রণামীর বাক্স বা দানবাক্স। সেখানে সাধ্য মতো অর্থ দান করে ঈশ্বরের কাছে মনস্কামনা জানায় ভক্তেরা। কর্নাটকের এক মন্দিরে তেমনই এক প্রণামী বাক্স থেকে উদ্ধার হওয়া একটি চিরকুট নিয়ে হইচই পড়ে গিয়েছে সামাজিক মাধ্যমে। একটি একশো টাকার নোটের ভিতরে ছিল আরাধ্য ভগবানকে লেখা এক লাইনের চিঠি। কিন্তু হইচই কেন? ভক্তটি প্রার্থনা করেছেন—“ঠাকুর, আমার শাশুড়ির যেন তাড়তাড়ি মৃত্যু হয়।” নিজের শাশুড়িকে জীবনের সমস্ত দুঃখের কারণ বলেও চিরকুটে উল্লেখ করেছেন তিনি।

আরও পড়ুন:

এই ঘটনা কর্নাটকের বেলগাঁওয়ের। সেখনেই রয়েছে হুলিকুন্তেশ্বর মন্দির। এলাকার বিখ্যাত এই মন্দিরে অসংখ্য ভক্ত নিজেদের মনস্কামনা জানায় ভগবানের কাছে। মন্দির চত্বরে মেলা চালায় ভক্তের সংখ্যা বেড়েছিল। মেলা শেষে দানবাক্স খুলে অর্থ সংগ্রহ করতে বসেন মন্দির কর্তৃপক্ষ। তখনই বিপুল পরিমাণ টাকা-পয়সার পাশাপাশি একটি একশো টাকার নোটের ভিতর থেকে উদ্ধার হয় একটি চিরকুট। তাতে লেখা ছিল, ‘ঈশ্বর, দয়া করে আমার কষ্ট দূর করো। আমার শাশুড়ি যেন আগামী বছর মেলা বসার আগেই মারা যান।’

আরও পড়ুন:

ঈশ্বরের কাছে এমন বাসনা জানানোয় অবাক মন্দিরের কর্মীরাও। ভগবানকে লেখা এই চিঠিতে অবশ্য ভক্তের নাম মেলেনি। শাশুড়ির মৃত্যু কামনা করে কোনও বউমা, নাকি কোনও জামাই ভগবানের কাছে এমন ইচ্ছে জানিয়েছে তাও স্পষ্ট নয়। মন্দিরের দায়িত্বে থাকা এক ব্যক্তি জানিয়েছেন, এত বছরে কোনওদিন মন্দিরে চিরকূট লিখে এমন প্রার্থনা কেউ জানায়নি।

আরও পড়ুন:

ইতিমধ্যে এই ঘটনার ভিডিও ও ছবি ভাইরাল হয়েছে সোশাল মিডিয়ায়। কাণ্ড দেখে মাথায় হাত পড়েছে নেটিজেনদের। মজার মন্তব্যে ভরে গিয়েছে কমেন্ট বক্স। নেটিজেনরা কেউ বলছেন, ‘প্রার্থনা কম, সুপারি চিঠি বেশি।’ কেউ আবার মস্করা করে বলছেন, ‘মাত্র ১০০ টাকা বিনিময়ে খোদ ভগবানকে সুপারি কিলার বানানো কম সাহসের বিষয় নাকি!’ 

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *