সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শনিবার ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধবিরতি সময় শেষ হতেই গাজায় সব ধরনের মানবিক সাহায্য পাঠানো বন্ধ করেছিল ইজরায়েল। এর পরেই মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে সিঁদুরে মেঘ দেখছিল অনেকে। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্টে ডোনাল্ডের ট্রাম্পের কূটনৈতিক কৌশলে বদলে গেল পরিস্থিতি। রমজান মাসে যুদ্ধবিরতির মার্কিন প্রস্তাব মেনে নিলেন বেঞ্জামিন নেতনিয়াহু।
রবিবার ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর অফিস তরফে জানানো হয়, গাজায় সাময়িক যুদ্ধবিরতির মার্কিন প্রস্তাবকে সমর্থন করছে ইজরায়েল। অতএব, আপাতত শান্তিকল্যাণ। ইজরায়েল পিএমও-র বিবৃতি, “হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপ শেষ হয়েছে। যদিও ইজরায়েল গাজায় সাময়িকভাবে যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর মার্কিন প্রস্তাবকে সমর্থন করছে।” এর ফলে রমজান মাসে নতুন করে রক্ত ঝরবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, দীর্ঘ জটিলতার পর কাতার, মিশর ও আমেরিকার উদ্যোগে সম্পন্ন হয়েছিল গাজা ও ইজরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি। যদিও একেবারে শেষ মুহূর্তে হামাসের তরফে বন্দিদের নামের তালিকা না দেওয়ায় বেঁকে বসেন নেতানিয়াহু। এরপর নামের তালিকা প্রকাশ করা হয় হামাসের তরফে। শেষপর্যন্ত দীর্ঘ ১৫ মাস ধরে চলতে থাকা রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের অবসান হয়েছিল সাম্প্রতিক ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধবিরতির চুক্তিতে।
বেসরকারি মতে যুদ্ধে নিহতের সংখ্যা এক লক্ষ ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে শিশুর সংখ্যা প্রায় ২০ হাজার। যদিও সরকারি হিসেবে তা ৬১ হাজারের কিছু বেশি। এর মধ্যে গাজাতে মৃত্যু হয়েছে ৪৮ হাজার। জখম ১ লক্ষেরও বেশি।
