লাগাতার ভারত-বিরোধিতা অস্ত্র কাজে এল না। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে হুমকি, বিরোধী মন্তব্যের পরও বাংলাদেশ ভোটে জিততে পারলেন না ছাত্রনেতা সারজিশ আলম। নিজের কেন্দ্র পঞ্চগড়-১ আসনে গোহারা হারলেন তিনি। এই আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী ব্যারিস্টার নওশাদ জমির। শুক্রবার সকালে ফলাফল ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা তথা জেলা প্রশাসক কাজী মহম্মদ সায়েমুজ্জামান। যদিও এই ফলাফল মেনে নিয়েছেন ছাত্রনেতা। সৌজন্য মেনে জয়ী প্রার্থীকে অভিনন্দন বার্তাও পাঠিয়েছেন। এবারের ভোটে জামাতের সঙ্গে জোট বেঁধে লড়াই করেছে জুলাই আন্দোলন থেকে উঠে আসা ছাত্রদের দল এনসিপি। তাঁদের প্রার্থীরা মোটের উপর ভালো ফল করলেও সারজিশের হারে প্রমাণ, তাঁর আগাগোড়া ভারত বিরোধী মনোভাব অন্তত জনসমর্থন টানতে পারেনি।
এই বিষয়ে আরও খবর
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে হুমকি, বিরোধী মন্তব্যের পরও বাংলাদেশ ভোটে জিততে পারলেন না ছাত্রনেতা সারজিশ আলম। নিজের কেন্দ্র পঞ্চগড়-১ আসনে গোহারা হারলেন তিনি। এই আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী ব্যারিস্টার নওশাদ জমির।
২০২৪ সালে বাংলাদেশে সংরক্ষণ বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম প্রধান মুখ হিসেবে যে কজন ছাত্রনেতা উঠে এসেছিলেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম প্রধান ছিলেন মাত্র ২৬ বছর বয়সি সারজিশ আলম। পরে নাহিদ ইসলাম ও অন্যান্য ছাত্রনেতারা মিলে আলাদা দল জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপি গঠনের পর সারজিশকে উত্তরাঞ্চলের কেন্দ্রীয় সংগঠক পদে বসানো হয়। সংগঠনে যথেষ্ট দক্ষ এই ছাত্রনেতার মোটের উপর একটা গ্রহণযোগ্যতা থাকলেও আগাগোড়া তাঁর ভারত বিরোধিতা মোটেই জনমানসে ভালো প্রভাব ফেলেনি। কখনও মোদিকে হুঁশিয়ারি, কখনও হাদিহত্যাকে ভারত বিরোধিতার কারণ বলে বক্তব্য রাখা – এসব চালিয়ে গিয়েছেন সারজিশ।
এমনকী ভোটের দিনও তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, কোনও গন্ডগোল হলে ভোটের ফলাফল মানবেন না। তবে সারজিশের এসব কৌশল ভোটবাক্সে ব্যর্থ হয়েছে। নির্বাচনী ফলপ্রকাশের পরই তা স্পষ্ট হয়ে গেল। তবে সারজিশ নিজের পরাজয় স্বীকার করে বিজয়ী প্রার্থীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। পাশাপাশি এও স্বীকার করেছেন যে ভোট ভালোভাবেই হয়েছে। তার জন্য বাংলাদেশের জনগণ ও আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন সারজিশ আলম।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
