‘রুক্মিণীর জন্য সুদর্শন ব্রাহ্মণ পাত্র চাই’, শহরজুড়ে পোস্টার সাঁটলেন চিরঞ্জিত! রেগে আগুন অভিনেত্রী

‘রুক্মিণীর জন্য সুদর্শন ব্রাহ্মণ পাত্র চাই’, শহরজুড়ে পোস্টার সাঁটলেন চিরঞ্জিত! রেগে আগুন অভিনেত্রী

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রুক্মিণী মৈত্র কবে বিয়ের পিঁড়িয়ে বসছেন? বছরখানেক ধরেই এহেন কৌতূহল ঘুরপাক খাচ্ছে অনুরাগীদের মনে। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েও একাধিকবার বিয়ে নিয়ে প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছেন অভিনেত্রী। এবার উপযাচক হয়ে রুক্মিণীর জন্য পাত্র খোঁজা শুরু করলেন চিরঞ্জিত চক্রবর্তী!

‘পাত্রের সন্ধানে’ দায়িত্ব নিয়ে শহরজুড়ে পোস্টারও সেঁটে ফেলেছেন পিতৃসম অভিনেতা। সেটাও আবার রুক্মিণীর অনুপস্থিতিতে, বিনা অনুমতিতে! কেমন পাত্র চাই? তার একটা বিবরণও দেওয়া রয়েছে সেখানে। সুদর্শনা, ব্রাহ্মণ, চাকুরিজীবী পাত্রীর জন্য সুশিক্ষিত প্রতিষ্ঠিত সুপাত্রের দাবি করেছেন তিনি। নিচে যোগাযোগের নম্বরও দেওয়া রয়েছে। যেখানে চিরঞ্জিতের প্রকৃত নাম ‘দীপক চক্রবর্তী’ উল্লিখিত। আর রাতের অন্ধকারে এলাকার দেওয়ালে চিরঞ্জিতকে এমন পোস্টের সাঁটতে দেখেই মেজাজ হারিয়েছেন রুক্মিণী! ঘটনার জেরে চিরঞ্জিতের উপর রেগে কাঁই অভিনেত্রী।

ঠিক কী ঘটেছে? আসলে বাস্তবে এমনটা ঘটেছে ঠিকই, তবে সেটা আদ্যোপান্ত সিনেমার প্রচারের জন্য। আগামী ২৮ নভেম্বর মুক্তি পাচ্ছে ‘হাঁটি হাঁটি পা পা’। যে ছবিতে পিতা-পুত্রীর ভূমিকায় অভিনয় করেছেন চিরঞ্জিত চক্রবর্তী এবং রুক্মিণী মৈত্র। ট্রেলারেই আভাস মিলেছে যে এই সিনেমার গল্পে বাবা-মেয়ের দুষ্টু-মিষ্টিু সম্পর্কের রসায়ন দেখা যাবে। অবাধ্য বাবাকে রাশ টানতে কীভাবে মেয়েকে হিমশিম খেতে হয়, সেই গল্পই ফুটে উঠবে পর্দায়। এ যেন ‘এক লক্ষ্মীমন্ত মেয়ে আর তার অবাধ্য বাবার মান-অভিমানের গল্প!’ তাই প্রোমোশনেও বাবা-মেয়ের খুনসুঁটি বজায় রাখলেন তাঁরা। সেই ভিডিও শেয়ার করে রুক্মিণী নিজেই লিখেছেন- ‘বাপ রে বাপ.. দেখুন আমার বাবার কাণ্ড… দু’দিন শহরে ছিলাম না কি কাণ্ডটাই না করেছে চারিদিকে!’ চিরঞ্জিতের কাণ্ড দেখে হেসে খুন নেটপাড়াও। একাংশ আবার দেবের খোঁজ করেছেন। টলিউড সুপারস্টার যদিও অভিনেত্রীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেছেন, ‘পাত্রের সন্ধান পেলে জানিও।’

 
 
 
 
 
View this put up on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A post shared by RUKMINI MAITRA (@rukminimaitra)





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *