পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রান্নাঘর। অথচ একটু মিষ্টি বা খাবার পড়লেই সেখানে হাজির পিঁপড়ের দল। চিনির কৌটো থেকে মশলার তাক— সর্বত্রই এদের অবাধ যাতায়াত। বাজারচলতি বিষাক্ত কীটনাশক ব্যবহার করলে হিতে বিপরীত হতে পারে, বিশেষ করে বাড়িতে যদি ছোট শিশু থাকে। কিন্তু জানেন কি, আপনার হেঁশেলের সাধারণ কিছু মশলা ব্যবহার করেই এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব? পিঁপড়ে তাড়াতে ওষুধের বদলে ভরসা রাখুন ঘরোয়া টোটকায়।


আরও পড়ুন:
হলুদের জাদুকরী শক্তি
হলুদ শুধু রান্নার স্বাদ বাড়ায় না, এটি একটি প্রাকৃতিক কীটনাশক। যেখানে পিঁপড়ের আনাগোনা বেশি, সেখানে সামান্য হলুদ গুঁড়ো ছড়িয়ে দিন। হলুদের গন্ধে পিঁপড়েরা দিকভ্রান্ত হয়ে পড়ে। ফলে হলুদ দেওয়া লক্ষণরেখা তারা সহজে পার করতে পারে না। শিশুদের নাগালের মধ্যে থাকলেও এটি পুরোপুরি নিরাপদ।
লেবুর টক গন্ধে জব্দ
পিঁপড়ে তাড়াতে লেবুর রসের জুড়ি মেলা ভার। ঘর মোছার জলে লেবুর রস বা ভিনিগার মিশিয়ে নিন। এ ছাড়া তিন ভাগ জলে এক ভাগ লেবুর রস মিশিয়ে একটি স্প্রে তৈরি করতে পারেন। জানলা, দরজার কোণ এবং তাকের ফাঁকে এই মিশ্রণ স্প্রে করুন। লেবুর তীব্র সাইট্রাস গন্ধ পিঁপড়েরা সহ্য করতে পারে না।


দারুচিনির দাওয়াই
হেঁশেলের অন্যতম সুগন্ধি মশলা দারুচিনি। অথচ এর গন্ধেই কুপোকাত পিঁপড়েরা। দারুচিনির গুঁড়ো বা তেল সরাসরি পিঁপড়ের গর্তের মুখে লাগিয়ে দিন। জলের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা দারুচিনির তেল মিশিয়ে স্প্রে করলেও ফল পাবেন হাতেনাতে।
লবঙ্গের তেল
কীটনাশক হিসেবে লবঙ্গের তেলের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কয়েক ফোঁটা লবঙ্গের এসেনশিয়াল অয়েল জলে মিশিয়ে ঘর মুছলে বা কোণায় কোণায় ছিটিয়ে দিলে পিঁপড়ের উপদ্রব দ্রুত কমে। এই ভেষজ টোটকায় রান্নাঘর থাকবে যেমন সুগন্ধি, তেমনই হবে পিঁপড়ে-মুক্ত।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
