রক্তাক্ত দার্জিলিং! দুই পুলিশ কর্মীর মধ্যে বচসা থেকে হাতাহাতি। এরপর সার্ভিস রিভলবার থেকে চললো গুলি। একেবারে রীতিমতো রক্তারক্তি কাণ্ড। শুক্রবার সন্ধ্যায় দার্জিলিংয়ের ডালি পুলিশ লাইনের এই ঘটনাকে ঘিরে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। গুলির শব্দে স্থানীয় মানুষজন একেবারে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। গুলিবিদ্ধ হয়ে মারাত্মক জখম হয়েছেন সাব ইনস্পেকটর বিনোদ তামাং। তাঁকে গুরুতর অবস্থায় স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে বলে খবর। অভিযুক্ত এএসআই উমেশ ছেত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে সদর থানার পুলিশ। শনিবার আদালতে তোলা হলে ধৃতকে পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়।
দার্জিলিং জেলা পুলিশ সুপার প্রতীক্ষা জাকারিয়া বলেন, “অভিযুক্ত এএসআইকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি মানসিক পরীক্ষাও করা হবে। ঘটনার বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে।” অন্যদিকে আহত ওই সাব ইনস্পেকটরের শারীরিক অবস্থা নিয়ে পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, আক্রান্ত এসআই বিপদমুক্ত। তাঁর পায়ে গুলি লেগেছে।
আরও পড়ুন:
অন্যদিকে পুলিশের একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত এএসআইকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে। কিন্তু ঠিক কী কারণে বচসা এবং গুলি চালানোর ঘটনা সেটা স্পষ্ট নয়। প্রশ্ন উঠেছে, অভিযুক্ত এএসআই কি কোনও কারণে মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন! ওই কারণে জেলা পুলিশের তরফে জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি মনোবিদকে দিয়ে অভিযুক্তের মানসিক অবস্থা পরীক্ষার সিদ্ধান্ত হয়েছে। যদি দেখা যায় তিনি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে ডিউটিরত অবস্থায় সার্ভিস রিভলবার থেকে গুলি চালিয়েছেন তবে কড়া শাস্তির মুখে পড়তে হবে।
প্রশ্ন উঠেছে, অভিযুক্ত এএসআই কি কোনও কারণে মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন! ওই কারণে জেলা পুলিশের তরফে জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি মনোবিদকে দিয়ে অভিযুক্তের মানসিক অবস্থা পরীক্ষার সিদ্ধান্ত হয়েছে। যদি দেখা যায় তিনি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে ডিউটিরত অবস্থায় সার্ভিস রিভলবার থেকে গুলি চালিয়েছেন তবে কড়া শাস্তির মুখে পড়তে হবে।
জানা গিয়েছে, দুই পুলিশ কর্মী দার্জিলিংয়ের বাসিন্দা। তাদের মধ্যে ব্যক্তিগত শত্রুতা ছিল কিনা সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
