অরিঞ্জয় বোস: রাতারাতি সফরসূচি দীর্ঘ করে তাঁকে বনতারায় উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেজন্য মোটা অঙ্কের গাঁটের কড়িও খরচ করতে হয়েছে আম্বানিদের। কিন্তু তাতে কী বিদেশি অতিথিদের আদর-আপ্যায়নে কোনওরকম ত্রুটি রাখল না মুকেশ আম্বানির পরিবার। মেসির বনতারা সফরে তাঁকে শুধু যে জাঁকজমক করে আপ্যায়ন করা হল তাই নয়, সঙ্গে ছিল সারপ্রাইজও।

কী সেই সারপ্রাইজ? সূত্রের খবর, আম্বানিদের বনতারায় এবার স্থায়ী বাসিন্দা হতে চলেছেন লিওনেল। আসলে মেসির সম্মানে অনন্ত আম্বানি এবং রাধিকা আম্বানি বনতারার একটি সিংহশাবকের নাম রেখেছেন ‘লিওনেল।’ এমনিতে প্রায় ৩০০০ একর বিস্তৃত বনতারায় ৪৩ প্রজাতির ২০০০ প্রাণী রয়েছে। এশিয়ার বিরল সিংহ, তুষারচিতা, একশৃঙ্গ গণ্ডার-সহ একাধিক বিরলতম প্রাণীর বাসস্থান এই চিড়িয়াখানা। সেখানে এবার বড় হবে লিওনেলও।

কলকাতা, হায়দরাবাদ, মুম্বই, দিল্লি সফরের পর দুই সতীর্থ লুইস সুয়ারেজ এবং রদ্রিগো ডি’পলকে নিয়ে জামনগরে যান মেসি। সেখানে আম্বানি পরিবারের সদস্যরা মেসি ও তাঁর সতীর্থদের পারিবারিক অতিথির মতোই আপ্যায়ন করেছেন বলে খবর।

বনতারার ভিতরে যে মন্দির আছে, সেখানে নিয়ে যাওয়া হয় মেসিদের। হিন্দু রীতি মেনে পুজোও দেন আর্জেন্টিনার মহাতারকা। সঙ্গে ছিলেন দুই সতীর্থ সুয়ারেজ এবং ডি’পল। গলায় রুদ্রাক্ষের মালা পরে মন্দিরে মাথা ঝুঁকিয়ে প্রণাম করতে দেখা গিয়েছে মেসিকে।

তাঁর দুই সতীর্থ-সহ পুজোর অর্ঘ্য হাতেও। জানা গিয়েছে মেসিদের পুরো চিড়িয়াখানা ঘুরিয়ে দেখিয়েছেন অনন্ত আম্বানি। বিভিন্ন জীবজন্তুর সঙ্গে ফুটবল রাজপুত্রর পরিচয়ও করিয়ে দিয়েছেন তিনি। এসবের মাঝেই অনন্ত এবং রাধিকা মেসির নামে সিংশাবকের নাম রাখার সিদ্ধান্ত নেন।

শোনা গেল, আম্বানিরা যেভাবে তাঁদের আপ্যায়ন করেছেন তাতে মেসি আপ্লুত। আগামী দিনে ভারতে এলে আম্বানিদের আতিথেয়তা গ্রহণে যে তাঁর বিশেষ আপত্তি নেই, সেটাও জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন
