মোহনবাগান ৫
মহামেডান ১
একটা দল তারকাখচিত। অন্য দল ‘ঢাল নাই তলোয়ার নেই নিধিরাম সর্দার’। বলা হচ্ছে মোহনবাগান ও মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের কথা। একটা সময় যুযুধান দুই দলের লড়াই দেখার অপেক্ষায় থাকতেন ফুটবলপ্রেমীরা। কিন্তু ‘সময় চলিয়া যায়, নদীর স্রোতের প্রায়’। সবুজ-মেরুন ক্লাব অতীত ঐতিহ্য নিয়ে আগুয়ান হলেও রেড রোডের ক্লাব যেন অতীতের ছায়া মাত্র। খাতায়কলমে ‘মিনি ডার্বি’ হলেও দুই শিবিরের ব্যবধান আকাশ-পাতাল। টুর্নামেন্টের হট ফেভারিট মোহনবাগানের সামনে এ হেন মহামেডান যে কোনও জুজু নয়, তা মোটামুটি সবাই জানত। প্রকৃতপক্ষে ম্যাচেও দেখা গেল সাদা-কালো ফুটবলাররা চাপ থেকে বেরতে পারলেন না। ম্যাচের ফলাফলই যার জলজ্যান্ত প্রমাণ। এক গোলে পিছিয়ে থেকে মোহনবাগান জিতল ৫-১ গোলে।
দুই প্রধানের ঐতিহাসিক গুরুত্বকে তুলে বিশেষ টিফো নিয়ে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে হাজির হয়েছিলেন দর্শকরা। তাছাড়াও আরও একটা টিফো ছিল। সেখানে লেখা, ‘প্রতিপক্ষরা দেখে নাও সব ট্রফি আমাদের হাতে’। সব মিলিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশেই শুরু হয় খেলা। ৩ মিনিটে রবসনের শট বাঁচান মহামেডান গোলকিপার শুভজিৎ ভট্টাচার্য। ৫ মিনিটে অনিরুদ্ধ থাপার ফ্রিকিক থেকে গোল পেয়ে যেতে পারত সবুজ-মেরুন। থাপার ভাসানো বলে মাথা ছোঁয়াতে পারেননি প্রায় মুক্তাঞ্চলে দাঁড়ানো আলবার্তো রডরিগেজ। তবে ১২ মিনিটে তাল কাটে। কর্নার থেকে দুরন্ত হেডে গোল করে মহামেডানকে এগিয়ে দেন লালথানকিমা।
গোল খাওয়ার পরই যেন মোহনবাগান দলটা বদলে যায়। ১৮ মিনিটে ওয়ান টু খেলে দারুণ শট রবসনের। পোস্টে লাগে। ২২ মিনিটে রবসন রবিনহোর গোলে সমতায় ফেরে সবুজ-মেরুন। সেই শুরু। তারপর আর থামানো যায়নি লোবেরা ব্রিগেডকে। ২৭ মিনিটে ফের গোল ব্রাজিলিয়ান তারকা রবসনের। ৩৫ মিনিটে আমে রানাওয়াড়ের ক্রসে হেড করেন কামিংস। মহামেডান গোলকিপার যা বাঁচালেও ফিরতি বল গিয়ে পড়ে ম্যাকলারেনের কাছে। গোল করতে কোনও ভুল করেননি অজি তারকা। তবে ৩৮ মিনিটে ডান পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পেয়ে উঠে গেলেন রবসন। তাঁর জায়গায় নামেন দিমিত্রি পেত্রাতোস। ৩৯ মিনিটে জেমির শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট। প্রথমার্ধের ইনিজুরি সময়ে কামিংস সুযোগ পেলেও তা থেকে গোল হয়নি। প্রথমার্ধ শেষে খেলার ফলাফল থাকে মোহনবাগানের পক্ষে ৩-১।
[প্রিয় পাঠক, খবরটি সদ্য আমাদের কাছে এসেছে। যেটুকু তথ্য এর মধ্যে পাওয়া গিয়েছে, সেটুকুই আপনাদের জানিয়ে দেওয়া হল। গুরুত্বপূর্ণ এই খবরটি খুঁটিনাটি-সহ কিছুক্ষণের মধ্যেই আমরা সবিস্তারে জানাব। অনুগ্রহ করে একটু পরে আর-একবার এই পেজটি রিফ্রেশ করুন, যাতে পূর্ণাঙ্গ খবর ও খবরটির অন্যান্য খুঁটিনাটি আপনারা জেনে নিতে পারেন। এই সময়টুকু আমরা আপনাদের কাছে চেয়ে নিলাম। পাশাপাশি উল্লেখ থাক, সম্প্রতি নেটমাধ্যমে নানারকম ভুয়ো খবরের ছড়াছড়ি। সে বিষয়ে আমরা যথাসম্ভব সতর্ক থেকেই খবর পরিবেশন করি। যে-কোনো খবরের সত্যাসত্য যাচাই করে তবেই আপনাদের কাছে তা পৌঁছে দেওয়া আমাদের কর্তব্য। আপনারা আমাদের সঙ্গে থাকুন, ঠিক ও তথ্যনিষ্ঠ খবর তুলে ধরার ক্ষেত্রে আপনাদের সহায়তা আন্তরিকভাবে কাম্য।]
সর্বশেষ খবর
