পাকিস্তান: ১৯০-৯ (সাহিবজাদা ফারহান ৭৩, বাবর আজম )
আমেরিকা: ১৫৮-৮ (শুভম রাঞ্জানে ৫১, সায়ান জাহাঙ্গির ৪৯)
পাকিস্তান ৩২ রানে জয়ী।
ভারত ম্যাচ নিয়ে মাঠের বাইরের নাটকে ইতি পড়তেই বদলে গেল বাবর আজম-সলমন আলি আঘাদের মাঠের পারফরম্যান্স। প্রথম ম্যাচে নেদারল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাকিস্তানকে ঠিক যতটা নড়বড়ে মনে হচ্ছিল দ্বিতীয় ম্যাচে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ঠিক ততটাই সাবলীল দেখাল শাহিন আফ্রিদিদের। গত বিশ্বকাপে যাদের কাছে হেরে কার্যত নাক কাটার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, সেই আমেরিকাকে মঙ্গলবার ৩২ রানে হারিয়ে দিলেন বাবররা।
এই বিষয়ে আরও খবর
এদিন কলম্বোয় টস জিতে প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেয় আমেরিকা। শুরুতে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৯০ রান তোলে আঘা-ব্রিগেড। পাকিস্তানের শুরুটাই দারুন হয়েছিল। প্রথম উইকেটের জুটিতেই সাইম আয়ুবরা তুলে দেন ৫৪ রান। আয়ুব ১৯ রানে আউট হলেও ৪১ বলে ৭৩ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেন সাহিবজাদা ফারহান। অধিনায়ক সলমন আলি আঘা অবশ্য এদিনও ব্যর্থ হন। তবে দীর্ঘদিন বাদে এদিন রান পেয়েছেন বাবর। ৩২ বলে ৪৬ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলেছেন পাক ক্রিকেটের ‘কিং।’ কিন্তু বাবর ও ফারহান আউট হওয়ার পর পাক লোয়ার অর্ডারে ভাঙন শুরু হয়। তাই একসময় যে রানটা দুশো পেরিয়ে যাবে মনে হচ্ছিল, সেটাই আটকে যায় ১৯০ রানে।
তবে আমেরিকার জন্য এই লক্ষমাত্রা যে সহজ হবে না সেটা প্রথম থেকেই বুঝিয়ে দেন পাক পেসাররা। শুরু থেকেই মার্কিন ব্যাটারদের চাপে রাখেন শাহিনরা। পাওয়ারপ্লেতে সেভাবে রানের গতি বাড়াতে পারেনি ইউএসএ। যার ফল ভুগতে হয় শেষবেলায়। পাহাড়প্রমাণ চাপের মুখে সায়ান জাহাঙ্গির, শুভম রঞ্জনে, মিলিন্দ কুমাররা প্রাণপণ চেষ্টা করলেও পাকিস্তানের দেওয়া লক্ষ্যমাত্রার কাছে তাঁরা পৌঁছতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত আমেরিকার ইনিংস শেষ হয় ৮ উইকেটে ১৫৮ রানে।
প্রথম ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে নড়বড়ে পারফরম্যান্সের পর আমেরিকার বিরুদ্ধে এই জয় নিঃসন্দেহে পাকিস্তান দলকে বড়সড় স্বস্তি দেবে। ভুলে গেলে চলবে না এই আমেরিকার বিরুদ্ধেই নাকানিচোবানি খেতে হয়েছে ভারতকে। যা মহারণের আগে বাড়তি অক্সিজেন দেবে বাবরদের।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
