মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ একেবারে মধ্যগগনে। প্রতিবেশী দেশগুলিতে আক্রমণ চালাবে না, এই প্রতিশ্রুতি দিয়েও তা ভঙ্গ করেছে ইরান। নবম দিনেও একাধিক দেশে হামলা, পালটা হামলা চলছেই। যুদ্ধের জেরে গত প্রায় ১০ দিন ধরে বন্ধ পণ্য পরিবহণের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত জলপথ হরমুজ প্রণালী। তা সত্ত্বেও বাধা পেরিয়ে কাতারের আটটি তৈলবাহী জাহাজ পৌঁছে গেল বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দরে। রবিবার সকালে এলপিজি ও এলএনজি-সহ ৮টি জাহাজ ভিড়তে দেখে কিছুটা স্বস্তিতে আমজনতা। যুদ্ধের আঁচে পুড়লেও এখনই তৈলভাণ্ডারে টান পড়ছে না, এই ভেবে আশ্বস্ত তাঁরা।
এই বিষয়ে আরও খবর
আরও পড়ুন:
যুদ্ধের জেরে গত প্রায় ১০ দিন ধরে বন্ধ পণ্য পরিবহণের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত জলপথ হরমুজ প্রণালী। তা সত্ত্বেও বাধা পেরিয়ে কাতারের আটটি তৈলবাহী জাহাজ পৌঁছে গেল বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দরে। রবিবার সকালে এলপিজি ও এলএনজি-সহ ৮টি জাহাজ ভিড়তে দেখে কিছুটা স্বস্তিতে আমজনতা।
গত ১০ দিন ধরে ইরান বনাম ইজরায়েল-আমেরিকার যুদ্ধ ভয়ংকর আকার নিয়েছে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে হরমুজ প্রণালী। এই পথ দিয়েই মূলত ইরান এবং আরব বিশ্বের দেশগুলি থেকে তৈলবাহী জাহাজ যাতায়াত করে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে। তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গোটা বিশ্বজুড়েই জ্বালানি তেল সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে থাকে। দামবৃদ্ধির আশঙ্কা করা হয়। বাংলাদেশও তার ব্যতিক্রম নয়। তাদের দেশে সবচেয়ে বেশি জ্বালানি আমদানি হয় কাতার থেকে। কিন্তু হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকলে তেল নিয়ে জাহাজ কীভাবে পৌঁছবে? এই চিন্তায় জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা করে মজুতের লক্ষ্যে পেট্রল পাম্পগুলিতে ভিড় জমান বহু মানুষ। যদিও বাংলাদেশের জ্বালানিমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছিলেন, পর্যাপ্ত তেল মজুত রয়েছে, আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই।
এই পরিস্থিতিতেই রবিবার সকালে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে ৮ টি তেলবাহী জাহাজ। এর মধ্যে কাতার থেকে পাঁচটি এলএনজিবাহী বড় কার্গো এসেছে। ফ্রান্স থেকে ‘আল জুর’ জাহাজে ৬৩ হাজার ৩৮৩ ইউনিট, গ্রিসের ‘আল জাসাসিয়া’ ৬৩ হাজার ৭৫ ইউনিট এবং বাহামার ‘লুসাইল’ ৬২ হাজার ৯৮৭ ইউনিট এলএনজি নিয়ে এসেছে। এছাড়া লাইবেরিয়ার ‘আল গালায়েল’ ও ‘লেব্রেথাহ’ জাহাজ দুটিও এলএনজি নিয়ে বাংলাদেশের জলসীমায় পৌঁছে গিয়েছে বলে খবর। কিন্তু কীভাবে বন্ধ হরমুজ প্রণালী পেরিয়ে এসব কার্গো পৌঁছল বাংলাদেশে? এনিয়ে বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানিয়েছেন, আসলে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়ার আগেই এই জাহাজগুলি ঝুঁকিপূর্ণ জলপথ অতিক্রম করতে পেরেছিল। তবে এমনও হয়েছে যে ওই পথ পেরিয়েও অনেক জাহাজই আটকে পড়েছে। সেদিক থেকে বাংলাদেশ সৌভাগ্যবান, তা বলাই যায়।
আরও পড়ুন:
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
