‘ভেবেছিলাম সব স্বপ্ন শেষ’, ভারতকে চ্যাম্পিয়ন করে কাকে খোঁচা দিলেন সঞ্জু?

‘ভেবেছিলাম সব স্বপ্ন শেষ’, ভারতকে চ্যাম্পিয়ন করে কাকে খোঁচা দিলেন সঞ্জু?

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


সঞ্জু স্যামসন। ভারতীয় ক্রিকেটে বঞ্চনার আরেক নাম। প্রতিভা পাহাড়প্রমাণ। তুলনায় সুযোগ পেয়েছেন অনেক কম। যখন সুযোগ পেয়েছেন, তখনও খেলতে হয়েছে নিজের কমফোর্ট জোনের বাইরে বেরিয়ে। পারফর্ম করার পরও বাদ পড়েছেন। নিজের সেরাটা দেওয়ার পরও আত্মত্যাগ করতে হয়েছে। আসলে সঞ্জু স্যামসন টিমম্যান। ম্যানেজমেন্টের সিদ্ধান্ত মানেন। কোনওদিন অভিযোগ করেন না। কিন্তু দেশকে বিশ্বসেরার পর হয়তো আবেগের আতিশয্যে একটু ভেসে গিয়েছিলেন। তাই বলে ফেললেন, বিশ্বকাপের ঠিক আগে আগে তাঁর মনে হয়েছিল, সব যেন শেষ হয়ে গিয়েছে, তাঁর স্বপ্ন শেষ।

এই বিষয়ে আরও খবর

আসলে বিশ্বকাপের আগে ফর্মে ছিলেন না। ওই সময়টায় নানান উত্থান-পতনের সাক্ষী ছিলেন। নিজের পছন্দের জায়গা হারিয়েছেন। দল থেক বাদ পড়েছেন। নিউজিল্যান্ড সিরিজটা জঘন্য হয়েছিল। সঞ্জুর মনে হয়েছিল, হয়তো তাঁর সবটা শেষ। বিশ্বকাপের দলে থাকলেও হয়তো প্রথম একাদশে খেলা হবে না। কিন্তু ক্রিকেট ঈশ্বর ফের সুযোগ দেয় তাঁকে। দলের কম্বিনেশন আবার বদলায়। আবার সুযোগ পান সঞ্জু। একেবারে মরণ-বাঁচন ম্যাচে। হয়তো সেই ম্যাচটা তিনি খেলেন জীবনের শেষ ম্যাচ হিসাবেই। সেখানেই নিজের সেরাটা দিলেন। তারপর সেমিফাইনাল, তারপর ফাইনাল। ৪ ম্যাচেই ভারতের সর্বোচ্চ স্কোরার তিনি। যোগ্য হিসাবেই টুর্নামেন্টের সেরা হয়েছেন কেরলমের যুবক।

T20 World Cup: India creates various records in finalT20 World Cup: India creates various records in final
ফাইনালে দুর্দান্ত জুটি স্যামসন, ঈশানের।

ম্যান অফ দ্য টুর্নামেন্ট হওয়ার পর স্যামসন বলছিলেন, “নিউজিল্যান্ড সিরিজের পর মনে হয়েছিল সবটা শেষ। আমার কেরিয়ার শেষ, আমার স্বপ্ন শেষ। ওই কঠিন সময়ে অনেকে আমাকে আত্মবিশ্বাস দিয়েছেন। অনেক সিনিয়র ক্রিকেটারের সঙ্গে কথা বলেছি। শচীন স্যর সাহায্য করেছেন। তারপরই কামব্যাক।” সঞ্জু বলছিলেন, এখন সবটা স্বপ্নের মতো লাগছে। কিন্তু এই স্বপ্নপূরণটা সহজ ছিল না। বহু উত্থানপতন দেখেছেন তিনি। তবে ফাইনালের পর যেভাবে স্বপ্ন ভাঙার কথা বললেন, সেটা কি কারও উদ্দেশ্যে খোঁচা? সে প্রশ্নের উত্তর অবশ্য মেলেনি।

স্যামসন বলছিলেন, “নিউজিল্যান্ড সিরিজের পর মনে হয়েছিল সবটা শেষ। আমার কেরিয়ার শেষ, আমার স্বপ্ন শেষ। ওই কঠিন সময়ে অনেকে আমাকে আত্মবিশ্বাস দিয়েছেন। অনেক সিনিয়র ক্রিকেটারের সঙ্গে কথা বলেছি। শচীন স্যর সাহায্য করেছেন। তারপরই কামব্যাক।”

এই বিষয়ে আরও খবর

এই আহমেদাবাদেই ২০২৩ সালে হৃদয়ভঙ্গ হয়েছিল ভারতের। সেই ম্যাচে ভারতীয় দলের অংশ ছিলেন জশপ্রীত বুমরাহ। সেই যন্ত্রণা আজও বয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছেন তিনি। ফাইনালে ম্যাচের সেরা হয়ে সেই যন্ত্রণার কথা শোনা গেল বুমরাহর মুখেও। তিনি বলছিলেন, “এখানে একটা ফাইনাল হেরেছি। আমি সেই দলের অংশ ছিলাম। আজ ফাইনালে ম্যাচের সেরা হতে পারে খুব ভালো লাগছে।”

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *