ভারতে ধরাশায়ী তুরস্কের সোনগার, পাকিস্তানের ‘সহায়’ এই ড্রোনের বিশেষত্ব কী?

ভারতে ধরাশায়ী তুরস্কের সোনগার, পাকিস্তানের ‘সহায়’ এই ড্রোনের বিশেষত্ব কী?

ইন্ডিয়া খবর/INDIA
Spread the love


সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতের উপর হামলা চালাতে তুরস্কের ড্রোন ব্যবহার করছে পাকিস্তান। বৃহস্পতিবার রাতে পাকিস্তান থেকে আসা ৪০০ ড্রোন ধ্বংস করে ভারতের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম। যা ছিল তুরস্কের অ্যাসিসগার্ডের সোনগার ড্রোন। সাংবাদিক বৈঠক থেকে উইং কমান্ডার ব্যোমিকা সিং জানান, লেহ থেকে স্যার ক্রিক লাইন পর্যন্ত অন্তত ৩৬ জায়গায় ড্রোন হামলার চেষ্টা চালায় পাকিস্তান। কর্নেল সোফিয়া কুরেশি জানান, ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ ফরেনসিক পরীক্ষা করার পর নিশ্চিত করা হয়েছে এগুলি ছিল তুরস্কের অ্যাসিসগার্ডের সোনগার ড্রোন। কিন্তু কী এই ড্রোন? কী এর বিশেষত্ব?

জানা যাচ্ছে, অত্যাধুনিক এই ড্রোন তুরস্কের স্বদেশী প্রযুক্তিতে তৈরি। যা ২০১৯ সালে তুরস্কের সেনার অন্তর্ভুক্ত হয়। সোনগার ড্রোনের বিশেষত্ব হল, এতে রয়েছে স্বয়ংক্রিয় মেশিনগান, ছোট-ক্ষেপণাস্ত্র বা ৮১ মিলিমিটারের মর্টার রাউন্ড। যা পছন্দমতো সাজিয়ে নেওয়া যায়। যা সাধারণ মানুষ, যানবাহনের পাশাপাশি ছোট জায়গায় হামলা চালাতে অত্যন্ত দক্ষ।

ওড়ার ক্ষমতা: সোনগার ড্রোন ৪৫ কেজি ওজন নিয়ে উড়তে সক্ষম। দূর নিয়ন্ত্রিত যন্ত্রের সাহায্যে ৩ থেকে ৫ কিলোমিটার দূর পর্যন্ত ২৫-৩০ মিনিট ওড়ার ক্ষমতা রয়েছে এটির। ড্রোনটি সমুদ্রপৃষ্ট থেকে ২,৮০০ মিটার উচ্চতায় উড়তে পারে।

নজরদারি: হামলার পাশাপাশি নজরদারি চালাতেও দক্ষ সোনগার। আকাশে ওড়ার সময় রিয়েল টাইম ভিডিও ও ডেটা পাঠাতে থাকে এই ড্রোন। ফলে সরাসরি নজরদারি চালানোর পাশাপাশি সেই তথ্য পাঠানো হয়। যা পরবর্তীতে বিশ্লেষণ করে করা সম্ভব। বিশেষ ক্যামেরা থাকার ফলে দিনে ও রাতে ছবি তুলতে সক্ষম। সমস্ত রকম আবহাওয়ায় হামলা চালাতে দক্ষ।

বিশেষ দক্ষতা: স্বয়ংক্রিয় এই ড্রোনের যাত্রাপথ একবার ঠিক করে দেওয়া হলে এটি নির্দিষ্ট জায়গায় পৌঁছে হামলা ও তথ্য নিয়ে ফিরে আসতে পারে। সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে বা ব্যাটারি কম থাকলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফিরে আসতে সক্ষম। ড্রোনগুলি একযোগে কাজ করে। একসঙ্গে বহু ড্রোন উড়লে সবগুলি একসঙ্গে ধ্বংস করা কঠিন হয়ে যায়। গতকাল এই ড্রোনে ৪০০টির বেশী হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান যা ভূপতিত করেছে ভারতের এয়ার ডিফেন্স।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *