ভারতের অগ্নি মিসাইল পরীক্ষায় ভয়ে কাঁপছে পাকিস্তান! ‘শান্তিভঙ্গে’র নালিশ ইসলামাবাদের

ভারতের অগ্নি মিসাইল পরীক্ষায় ভয়ে কাঁপছে পাকিস্তান! ‘শান্তিভঙ্গে’র নালিশ ইসলামাবাদের

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আন্তর্জাতিক আঙিনায় পাকিস্তানের মুখ বারবার পুড়েছে। ধূসর তালিকায় ঢুকে পড়া হোক কিংবা সাম্প্রতিক অতীতে পহেলগাঁও হামলার মতো ঘৃণ্য চক্রান্তে নাম জড়ানো- প্রতিবেশী দেশটির মুখোশ খসে পড়েছে প্রতিবার। সেই পাকিস্তানই এবার ভারতের বিরুদ্ধে শান্তি, নিরাপত্তা এবং কৌশলগত স্থিতিশীলতাকে ক্ষুণ্ণ করার অভিযোগ তুলল!

ঠিক কী অভিযোগ তাদের? ২০ আগস্ট ওড়িশার চাঁদিপুরের ইন্টিগ্রেটেড টেস্ট রেঞ্জ থেকে ইন্টারমিডিয়েট রেঞ্জ ব্যালিস্টিক মিসাইল ‘অগ্নি-৫’ মিসাইলের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করা হয়। কৌশলগত এবং প্রযুক্তিগত পরীক্ষা সফল হয়েছে বলেF খবর। আর এতেই ঘাবড়ে গিয়েছে ইসলামাবাদ। তাদের দাবি, পাকিস্তানের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘর্ষের পর ভারত যেভাবে অস্ত্র কেনায় মন দিয়েছে তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

পাকিস্তানের বিদেশ দপ্তরের মুখপাত্র সফকত আলি খান সাপ্তাহিক সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, ”আমরা লক্ষ করছি ভারতের অস্ত্র সংগ্রহ বা ক্রয়ের বিষয়টি। যা কেবল পাকিস্তানের নিরাপত্তার জন্যই নয়, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্যও সামগ্রিক ভাবে বিপজ্জনক। আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক উভয় স্তরেই শান্তি, নিরাপত্তা এবং কৌশলগত স্থিতিশীলতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।”

সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের মিসাইল ডিফেন্স প্রজেক্ট অনুসারে, এই ক্ষেপণাস্ত্র ৫ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে। ফলে এর আওতায় অবশ্যই থাকবে পাকিস্তান। স্বাভাবিক ভাবেই তা চিন্তা বাড়াচ্ছে পাক প্রশাসনের। যা পরিষ্কার হয়ে গেল সেদেশের মুখপাত্র ‘ছিঁচকাঁদুনে’ ভঙ্গির সমালোচনায়। এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

গত ১৫ আগস্ট, স্বাধীনতা দিবসে প্রতিরক্ষা নিয়ে বড় ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নমো জানিয়েছেন, ভারত খুব শীঘ্রই ‘মিশন সুদর্শন চক্র’ আনতে চলেছে যা ভারতীয় আকাশসীমার ঢাল হয়ে রক্ষা করবে। শুধু তাই নয়। পালটা প্রতি আক্রমণ করতে সক্ষম এই সুদর্শন চক্র। এই ঘোষণার পর অগ্নি মিসাইলের সফল উৎক্ষেপণ পাকিস্তানকে আরও ভয় ধরাচ্ছে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *