অভিষেক শর্মার তাণ্ডবে জয় দিয়ে বিশ্বকাপ ‘প্রস্তুতি’ শুরু করেছিল টিম ইন্ডিয়া। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৪৮ রানে জিতেছিলেন সূর্যকুমার যাদবরা। এবার লক্ষ্য দ্বিতীয় ম্যাচে বৈতরণি পার করা। রায়পুরের সেই ম্যাচে টস জিতে নিউজিল্যান্ডকে ব্যাট করতে পাঠান ভারত অধিনায়ক। সেই ম্যাচে নিউজিল্যান্ড করল ২০৮ রান।
ভারতীয় দলে দু’টি বদল হয়। চোট পাওয়া অক্ষর প্যাটেলের জায়গায় আসেন কুলদীপ যাদব। জশপ্রীত বুমরাহকে বিশ্রাম দিয়ে তাঁর পরিবর্তে নামেন হর্ষিত রানা। বুমরাহ না থাকায় কিছুটা হলেও সুবিধা পায় নিউজিল্যান্ড। দুই কিউয়ি ওপানার ডেভন কনওয়ে এবং টিম সেইফার্ট ঝোড়ো শুরু করেন। প্রথম তিন ওভারেই ওঠে ৪৩ রান। অর্থাৎ ওভার পিছু রান ছিল ১৪-র উপর। এর পরেই সূর্যকুমার বল তুলে দেন হর্ষিতের হাতে। বলের গতি পড়তে না পেরে ব্যক্তিগত ১৯ রানে সাজঘরে ফেরেন কনওয়ে।
দ্রুত ফিরে যান সেইফার্টও (২৪)। বরুণের গুগলিতে সর্ষেফুল দেখেন তিনি। ঈশান কিষান নেন তাঁর ক্যাচ। এরপর তাণ্ডব চালান রাচীন রবীন্দ্র। গ্লেন ফিলিপসকে (১৯) সঙ্গে নিয়ে জুটিতে জোড়েন ৫৫ রান। ওয়ানডেতে ভারতের ‘ত্রাস’ ড্যারিল মিচেলের ইনিংসও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। তাঁর নামের পাশে ১৮ রান। শিবম দুবের বলের গতিতে ঠকে গিয়ে হার্দিকের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরেন তিনি।
ভয়ানক হয়ে ওঠা রাচীনকে ফেরান কুলদীপ। কিউয়ি তারকা করেন ২৬ বলে ৪৪। তাঁর ইনিংস সাজানো ২টি চার, চারটি ছক্কা দিয়ে। তিনি আউট হতে নিউজিল্যান্ডের রানের গতি অনেকটাই কমে যায়। ভারতীয় বোলারদের বুদ্ধিদীপ্ত বোলিংয়ের সামনে তখন অনেকটাই বেকায়দায় নিউজিল্যান্ড। হার্দিককে তুলে মারতে গিয়ে অভিষেকের হাতে জমা পড়েন মার্ক চ্যাপম্যান (১০)। নিউজিল্যান্ডের স্কোর তখন ৬ উইকেটে ১৬১। শেষের দিকে মিচেল স্যান্টনারের সৌজন্যে ২০০-র
সর্বশেষ খবর
