বাবার কষ্টের মান রাখাই লক্ষ্য, অভাবের সঙ্গে লড়েই বঙ্গ ক্রিকেটে প্রতিষ্ঠা পেতে মরিয়া তুফান

বাবার কষ্টের মান রাখাই লক্ষ্য, অভাবের সঙ্গে লড়েই বঙ্গ ক্রিকেটে প্রতিষ্ঠা পেতে মরিয়া তুফান

সিনেমা/বিনোদন/থিয়েটার
Spread the love


স্টাফ রিপোর্টার: বিজয় মার্টেন্ট ট্রফির শেষ ম্যাচ বোনাস-সহ জিতেও পরের রাউন্ডে যেতে পারে বাংলা। তবে মণিপুরের বিরুদ্ধে সেই ম্যাচের পর থেকে বঙ্গ ক্রিকেটে তুফান রায়কে নিয়ে বেশ আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে। কটকে সেই ম্যাচে দুরন্ত ডবল সেঞ্চুরি করেছে নিউ জলপাইগুড়ির এই কিশোর। ঠিক পথে থাকলে ভবিষ্যতে আরও বড় মঞ্চে সে পৌঁছে যাবে বলেই মত বঙ্গ ক্রিকেট মহলের। 

বছর পনেরোর তুফান বর্তমানে দশম শ্রেণির ছাত্র। তবে পড়া নয়, তার ধ্যানজ্ঞান এখন শুধুই ক্রিকেট। বাংলার অনূর্ধ্ব-১৬ দলের নিয়মিত সদস্য তুফান। পাশাপাশি ব্যাঁটরা ক্রিকেট ক্লাবের হয়ে সিএবি দ্বিতীয় ডিভিশনে খেলে। তবে জীবনের বাইশ গজে তার চ্যালেঞ্জ আরও বেশি। বাবা গৌরাঙ্গ রায় পেশায় রাজমিস্ত্রি। অভাবের সংসারে ক্রিকেট খেলাটাই বিলাসিতা। তার উপর ক্লাব ক্রিকেট খেলার জন্য মাঝেমাঝেই কলকাতায় এসে থাকতে হয় তুফানকে। সেসময় কাজ ছেড়ে তাঁর সঙ্গে আসেন গৌরাঙ্গও। তখন বাবা-ছেলের ঠিকানা হয় ব্যাঁটরা ক্লাবের একটা ঘর। তাই বাবার এই কষ্টের মান রাখাই লক্ষ্য তুফানের।

তার কথায়, “বাবা চায় আমি যেন ক্রিকেটে মন দিই। আমি বাবার স্বপ্ন পূরণ করতে চাই। আপাতত আমার লক্ষ্য পরের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ভারতের হয়ে খেলা। সেভাবেই নিজেকে তৈরি করতে হবে।” মণিপুরের বিরুদ্ধে বড় রানের লক্ষ্য নিয়েই নেমেছিলেন তুফান। তুফানের মন্তব্য, “আগের দু’টো ম্যাচে রান পাইনি। তাই ভেবেই নিয়েছিলাম যে একটা বড় ইনিংস খেলতে হবে। সেটা করতে পেরে আমি খুশি।”

তুফানের ক্রিকেট খেলার সূচনা ২০২১ সালে, শিলিগুড়ির এক কোচিং সেন্টারে। তাকে কলকাতায় নিয়ে আসার নেপথ্যে রয়েছেন আবদুল মুনায়েম। ময়দানের পরিচিত এই কোচের কথায়, “শিলিগুড়ি গিয়ে তুফানের খেলা দেখি। ওর প্রতিভা নজর কেড়েছিল। তাই কলকাতায় এনে ব্যাঁটরা ক্লাবে সই করাই। বাংলার জার্সিতেও সুযোগ পেয়ে যায়। সেখানে বড় রানের ইনিংস খেলল। এবার দ্বিতীয় ডিভিশনের ওয়ানডে লিগেও ভালো ব্যাটিং করেছে। ভবিষ্যতে বড় ব্যাটার হওয়ার সব মশলাই ওর মধ্যে রয়েছে।” দ্বিতীয় ডিভিশনে ব্যাঁটরার হয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে ৭৬ ও ইন্টারন্যাশনাল ক্লাবের বিরুদ্ধে ৫৯ রানের ইনিংস খেলেছে তুফান।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *