‘ফুটবলটা তুলে দিয়েছে, দর্শকদেরও তুলে দিতে চাইছে’, ফেডারেশনকে একহাত নিয়ে ওড়িশা ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত মোহনবাগান সচিব সৃঞ্জয় বোসের

‘ফুটবলটা তুলে দিয়েছে, দর্শকদেরও তুলে দিতে চাইছে’, ফেডারেশনকে একহাত নিয়ে ওড়িশা ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত মোহনবাগান সচিব সৃঞ্জয় বোসের

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


ম্যাচ খেলতে হবে দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে। এআইএফএফের ‘অন্যায়’ শাস্তির প্রতিবাদে বড় সিদ্ধান্ত মোহনবাগান সচিব সৃঞ্জয় বোসের। ফেডারেশন সভাপতি কল্যাণ চৌবেকে একহাত নিয়ে সৃঞ্জয় জানিয়ে দিলেন, ওড়িশার বিরুদ্ধে ম্যাচ দেখতে যাবেন না তিনি। তাঁর সাফ কথা, “এআইএফএফ ফুটবলটা তুলে দিয়েছে। এবার দর্শকদেরও তুলে দিতে চাইছে।”

সমর্থকদের বিরুদ্ধে আপত্তিকর আচরণের অভিযোগ তুলে আগামী ৬ মার্চ, ওড়িশা এফসি’র বিরুদ্ধে ম্যাচটি দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে করার নির্দেশ দিয়েছে এআইএফএফ। সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে পালটা মোহনবাগান আবেদন করলেও তাতে কর্ণপাত করেনি কল্যাণ চৌবের ফেডারেশন। তাতে ক্ষুব্ধ বাগান সচিব বলছেন, “এআইএফএফ আনোয়ার কেসের এতদিনে কোনও নিষ্পত্তি করতে পারল না। আর মোহনবাগানের ম্যাচ দর্শকশূন্য মাঠে করার সিদ্ধান্ত নিতে পারল? যিনি ফেডারেশন চালাচ্ছেন, তিনি ফুটবলটা তুলে দিয়েছেন। এখন দর্শকদেরও উঠিয়ে দিতে চাইছে। এমনিতেই ফুটবল ম্যাচে খুব একটা দর্শক হয় না। সেখানে এরকম একটা সিদ্ধান্ত!” সৃঞ্জয়ের বক্তব্য, “প্রতিটি মোহনবাগান সমর্থকের উচিত এর বিরুদ্ধে গর্জে ওঠা। কালো ব্যাচ পরে প্রতিবাদ জানানো উচিত।”

আরও পড়ুন:

ফেডারেশন সভাপতিকে তোপ দেগে মোহনবাগান সচিব ইঙ্গিতপূর্ণ ভাবে বলছেন, “হয়তো চার্চিল ব্রাদার্সকে নিতে পারছে না বলে ফেডারেশন সভাপতির উপর অনেক চাপ আছে। সেটা না পারায় সবাইকে শাস্তি দিতে নেমেছেন।” ক্লাব সভাপতি দেবাশিস দত্তও একই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, “সমর্থকদের জন্যই ফুটবল। তারাই যদি খেলা দেখতে না পায়, তাহলে আমাদের যাওয়ার মানে হয় না।”

উল্লেখ্য, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি কেরালার বিরুদ্ধে ম্যাচে দর্শকদের ‘নিয়মবিরুদ্ধ আচরণে’র অভিযোগে আসন্ন ওড়িশা এফসি ম্যাচটি ‘রুদ্ধদ্বার’ করার নির্দেশ দিয়েছে এআইএফএফ। মোহনবাগানের তরফে জানানো হয়েছে, ‘ক্লাব আর্থিক জরিমানার বিষয়টি মেনে নিয়েছে। তবু ৬ মার্চ ওড়িশা এফসি’র ম্যাচটি বন্ধ স্টেডিয়ামে করার যে নির্দেশ ডিসিপ্লিনারি কমিটি দিয়েছে, সেই সিদ্ধান্তে আমরা খুবই হতাশ। আমাদের ক্লাবের যাঁরা হৃদস্পন্দন, সেই হাজার হাজার আবেগি সমর্থকের জন্য এটা অন্যায্য শাস্তি। সমর্থকদের স্বার্থে আমরা সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আবেদন করলেও তা গৃহীত হয়নি। ফুটবল দর্শকদের জন্য। তাঁদের এর থেকে ভালো কিছু প্রাপ্য।’ ক্লাবের তরফে ফেডারেশনের কাছে আবেদনও করা হয়। কিন্তু সেটা গৃহীত না হতেই বড় সিদ্ধান্ত নিলেন সৃঞ্জয়।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *