গোবিন্দ রায়: মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে প্রসূতি মৃত্যুতে ‘অভিযুক্ত’ স্যালাইন রিঙ্গার ল্যাকটেটকে ক্লিনচিট দিল রাজ্য। কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানমকে রিপোর্ট দিয়ে ওই স্যালাইন প্রস্তুতকারী সংস্থার সঙ্গে সহমত প্রকাশ করল রাজ্য। জনস্বার্থ মামলায় রাজ্য জানাল, রিঙ্গার ল্যাকটেট স্যালাইন খারাপ ছিল না। রাজ্যের ল্যাবে পাঠানো স্যালাইনের নমুনায় কোনও সমস্যা দেখা যায়নি।
সূত্রের খবর, রিপোর্টে রাজ্য জানিয়েছে, ঘটনার ৮ এবং ৯ জানুয়ারি রাতে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে কোনও সিনিয়র ফ্যাকাল্টি ছিল না। আরএমও ছিল না। পাঁচটা সি সেকশনে সব জায়গায় সমান নজরদারি করা সম্ভব হয়নি। এই নিয়ে সিআইডি তদন্ত করছে। রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত জানান, রিপোর্টে বলা হয়েছে স্যালাইনে সমস্যা ছিল না। স্যালাইনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে চাকরি দেওয়া হয়েছে। ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে।
প্রধান বিচারপতি স্যালাইন প্রস্তুতকারী সংস্থার কাছে জানতে চান, কীভাবে এই ঘটনা ঘটল? ওই সংস্থা জানায়, “রাজ্যের স্যালাইন কেন্দ্রীয় ল্যাবে পাঠানোর পরেও ক্লিনচিট এসেছে। রাজ্যে পৌঁছে গেলে তারপর আমাদের কিছু করার থাকে না। এরপর রাজ্যকে কিছু গাইডলাইন মানতে হয়।” এদিন প্রধান বিচারপতির প্রশ্ন,”আপনারা কি নিজেদের স্যালাইন ব্যবহার করতে পারেন না? এমন ইন্ডাস্ট্রি করতে গেলে কত খরচ হতে পারে? আদৌ কি কোনও ওষুধ কোম্পানি আছে এ রাজ্যে?” রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল, জানান এ বিষয় জেনে বলতে পারবেন।
