একটা সময়ে তাঁকে পাকিস্তানের বিরাট কোহলি তকমা দিয়েছিল পাক ক্রিকেটপ্রেমীরা। কিন্তু আজ তিনি ঘরোয়া ক্রিকেটেও সুযোগ পান না। সেই আহমেদ শেহজাদ এবার ক্যামেরার সামনে কেঁদে ভাসালেন। তাঁর আক্ষেপ, ১৮ বছর আগে যারা তাঁর সতীর্থ ছিল তারা এখনও পাকিস্তানের জার্সিতে খেলছেন। কিন্তু শেহজাদ এখন একেবারে ব্রাত্য। বিশ্বকাপে ভারত-পাক ম্যাচের আগে শেহজাদের কান্নার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে নেটদুনিয়ায়।
একটি অনুষ্ঠানে প্রাক্তন সতীর্থ মহম্মদ আমিরের সঙ্গে কথা বলছিলেন শেহজাদ। আলোচনা চলাকালীনই আচমকা কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। কান্নাভেজা গলায় বলেন, “আমি তো খেলতে চাই। আমার ব্যাচমেটরা সকলেই এখনও খেলছে, ওদের জন্য আমি খুশি। কিন্তু নিজের জীবনটা দেখলে ভাবি, কী করে সব কিছু পালটে গেল? ১৮ বছর ধরে খেলেছি, কিন্তু আজ সমস্তই শেষ হয়ে গিয়েছে, সেগুলো মনে পড়লে খুব কান্না পায়।” উল্লেখ্য, এই প্রথমবার পিএসএলের নিলাম থেকে বাদ পড়েছে শেহজাদের নাম। সেটাতেই অত্যন্ত হতাশ হয়ে পড়েছেন পাক তারকা।
আরও পড়ুন:
চোখে জল নিয়েই শেহজাদ বলেন, “সবচেয়ে খারাপ লাগে আমার ৯ বছর বয়সি ছেলেটার কথা ভেবে। ও সবসময় চায় আমি যেন খেলি। আমার পাশে শুয়ে ও সবসময় বলে, বাবা আমি তো আগে তোমাকে খেলতে দেখেছি। কিন্তু সেগুলো এখন আর মনে পড়ে না।” ছেলের কথা বলতে গিয়েই শেহজাদের কান্নার বেগ আরও বাড়ে। ক্ষমা চেয়ে তিনি অনুষ্ঠান ছেড়ে কিছুক্ষণের জন্য বেরিয়েও যান।
ormer Pakistan opening batter Ahmed Shehzad broke down in tears throughout a stay tv present whereas talking about not being chosen within the Pakistan Tremendous League (PSL).
Talking on a non-public TV channel, Shehzad admitted that he grew to become emotional after watching his former… pic.twitter.com/Lw7mych1f7
— Pakistan Financial Community (@NetPakistan) February 12, 2026
উল্লেখ্য, পাকিস্তান সুপার লিগে দীর্ঘদিন খেলেছেন শেহজাদ। ২০২১ সালের পর থেকে না খেললেও নিলামে নাম উঠেছে তাঁর। ২০২৬ পিএসএলে নতুন দুটি দল যুক্ত হয়েছে। সেখানে সুযোগ পাওয়ার আশায় ঘরোয়া ক্রিকেটার হিসাবে নিলামে নাম লেখাতে চেয়েছিলেন শেহজাদ। কিন্তু এবারের পিএসএলের নিলামে আর রাখা হয়নি শেহজাদের নাম। পরিবর্ত হিসাবেও কোনও দলের তরফ থেকে শেহজাদকে প্রস্তাব দেওয়া হয়নি। সবমিলিয়ে একটা সময়ে যাঁর তুলনা হত বিরাট কোহলির সঙ্গে, সেই পাক ক্রিকেটারের দিন কাটছে চোখের জল ফেলে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
