পাইলটই ‘সুইসাইড বোম্বার’! অজিতের বিমানে দুর্ঘটনায় রাজীব হত্যার ছায়া দেখছেন এনসিপি বিধায়ক

পাইলটই ‘সুইসাইড বোম্বার’! অজিতের বিমানে দুর্ঘটনায় রাজীব হত্যার ছায়া দেখছেন এনসিপি বিধায়ক

ইন্ডিয়া খবর/INDIA
Spread the love


প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর মতো অজিত পওয়ারকেও হত্যা করা হয়েছে? যেখানে ‘সুইসাইড বোম্বার’ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে খোদ বিমানের পাইলটকে? এই জল্পনা উসকে দিয়েই এবার বিস্ফোরক দাবি করলেন এনসিপি বিধায়ক অমল মিতকারি। তাঁর প্রশ্ন, ‘বিমানের পাইলট ক্যাপ্টেন সুমিত কাপুর আত্মঘাতী বোমারু নয় তো?’

আরও পড়ুন:

বিমান দুর্ঘটনায় মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পওয়ারের মৃত্যুতে শুরু থেকেই প্রশ্ন তুলেছেন তাঁর ভাইপো রোহিত পওয়ার। বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত দিয়ে সিবিআই তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে অজিতের স্ত্রী সুনেত্রা পওয়ার ও এনসিপির তরফে। বারামতীর বিমান দুর্ঘটনা নিয়ে ব্যাপক চর্চার মাঝেই মহারাষ্ট্রের অকোলা জেলায় এক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর মৃত্যুর প্রসঙ্গ তোলেন তিনি। জনতার উদ্দেশে প্রশ্ন ছুড়ে তিনি বলেন, ”এটা কি নিছক দুর্ঘটনা না কি এর নেপথ্যে বিরাট ষড়যন্ত্র রয়েছে?” বিধায়ক বলেন, “১৯৯১ সালে রাজীব হত্যার নেপথ্যে ছিল এলটিটিই। যেভাবে এলটিটিই রাজীব গান্ধীকে খুন করেছিল, ঠিক একইরকমভাবে অজিত হত্যার ষড়যন্ত্র করা হয়েছে? তাহলে ক্যাপ্টেন সুমিত কাপুর নামে যে পাইলট বিমান ওড়াচ্ছিলেন তিনিই কী সুইসাইড বোম্বার?”

ক্যাপেন সাহিল নামে যে পাইলটের ওই বিমান ওড়ানোর কথা ছিল, শেষ মুহূর্তে ট্র্যাফিক জ্যামে আটকে যিনি পৌঁছতে পারেননি। তিনি এখন কোথায়?

এরপরই বিধায়ক বলেন, “ওই বিমান দুর্ঘটনায় সুমিত মারা গিয়েছে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সুমিত কাপুরের স্ত্রী বলেছেন তাঁর স্বামী জীবিত রয়েছেন। তাহলে দুর্ঘটনায় আসলে কে মারা গিয়েছেন? অজিতের মৃত্যু নিয়ে এত প্রশ্ন অথচ মহারাষ্ট্র অদ্ভুতভাবে নীরব।” তাঁর দাবি, “প্রথাগত তদন্তে কোনও কিছুই সামনে আসবে না। আমাদের বলা হচ্ছে ব্ল্যাক বক্সের তথ্য পরে জানানো হবে। সরকার কেন সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করছে না? ক্যাপেন সাহিল নামে যে পাইলটের ওই বিমান ওড়ানোর কথা ছিল, শেষ মুহূর্তে ট্র্যাফিক জ্যামে আটকে যিনি পৌঁছতে পারেননি। তিনি এখন কোথায়?”

আরও পড়ুন:

উল্লেখ্য, ২৮ জানুয়ারি সকাল ৮টা নাগাদ বারামতীর উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল অজিতের বিমানটি। যাত্রার প্রথম দিকে সব কিছুই স্বাভাবিক ছিল। ১০ মিনিটের মধ্যেই বিমানটি প্রায় ছ’কিলোমিটার উচ্চতায় পৌঁছে যায় এবং তার গতি ছিল ঘণ্টায় প্রায় ১০৩৬ কিলোমিটার। উড়ানের ২৪ মিনিট পর কিছু সময়ের জন্য বিমানটি নজরদারি সঙ্কেত পাঠানো বন্ধ করে দিয়েছিল। কয়েক মিনিট পরে আবার সেই সঙ্কেত ফিরে এলেও সকাল ৮টা ৪৩ মিনিটে বিমানটি পুরোপুরি নিশ্চুপ হয়ে যায়। ওই সময়েই ঘটে দুর্ঘটনা। ভেঙে পড়ার ঠিক আগের মুহূর্তে বিমানের উচ্চতা নেমে এসেছিল প্রায় ১০১৬ মিটারে এবং গতি ছিল ঘণ্টায় প্রায় ২৩৭ কিলোমিটার, যা অবতরণের সময় স্বাভাবিক বলে ধরা হয়।

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *