মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে জ্বালানি খাত নিয়ে শঙ্কিত বাংলাদেশের সাধারণ মানুষজন। পুরোপুরি আমদানিনির্ভর দেশ হিসেবে বাংলাদেশ যে কোনও আন্তর্জাতিক অস্থিরতায় ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। বিশেষ করে কাতার, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমানের মতো প্রধান জ্বালানি সরবরাহকারী দেশগুলোয় উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় এলএনজি, অপরিশোধিত ও পরিশোধিত তেল-সহ সব প্রধান জ্বালানি উৎস অনিশ্চয়তায় পড়েছে। যদিও যথেষ্ট জ্বালানি তেল মজুত রয়েছে বলে আশ্বস্ত করেছেন সে দেশের জ্বালানিমন্ত্রী। তাতেও কেউ ভরসা করছেন না। পেট্রল পাম্পগুলিতে দীর্ঘ লাইন দিচ্ছেন তাঁরা।
এই বিষয়ে আরও খবর
এদিকে, ইরান-ইজরায়েলের যুদ্ধ পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে দেশে জ্বালানি তেল সরবরাহ নিয়ে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, তা নিয়ে দেশবাসীকে আশ্বস্ত করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তিনি বলেছেন, ‘‘দেশে ডিজেল, পেট্রোল, অকটেন-সহ সব ধরনের জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। তাই সাধারণ মানুষের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনও কারণ নেই।”
ইরান-ইজরায়েলের যুদ্ধ পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে দেশে জ্বালানি তেল সরবরাহ নিয়ে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, তা নিয়ে দেশবাসীকে আশ্বস্ত করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তিনি বলেছেন, ‘‘দেশে ডিজেল, পেট্রোল, অকটেন-সহ সব ধরনের জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। তাই সাধারণ মানুষের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনও কারণ নেই।”
শনিবার বিকেলে রাজধানী ঢাকার তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় প্রাঙ্গনে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি একথা বলেন। এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে দেশের জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক করেন জ্বালানিমন্ত্রী। মন্ত্রীর কথায়, ‘‘মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অনেকেই শঙ্কা থেকে বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে গিয়ে প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল সংগ্রহের চেষ্টা করছেন। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, ‘‘ভবিষ্যতে কোনও ধরনের সংকট এড়াতে সরকার বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহের পরিকল্পনাও প্রস্তুত করে রেখেছে।পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজন হলে সেসব বিকল্প উৎস ব্যবহার করা হবে।’’
এই বিষয়ে আরও খবর
ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু আরও জানান বলেন, ‘‘আগামী ৯ মার্চ দেশে আরও দুটি জ্বালানি তেলবাহী জাহাজ পৌঁছনোর কথা রয়েছে।ফলে সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনও ধরনের ঘাটতির আশঙ্কা নেই।’’ তবে গুজব বা আতঙ্কে অতিরিক্ত তেল সংগ্রহ না করার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি। মন্ত্রী বলেন, ‘‘প্যানিক হয়ে কেউ যেন প্রয়োজনের বেশি তেল সংগ্রহ না করেন। এতে অপ্রয়োজনীয় চাপ তৈরি হয়।জনভোগান্তি কমাতে আগামিকাল (রবিবার) থেকে বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।”
সর্বশেষ খবর
